সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭


শাল্লার অপ্রত্যাশিত ঘটনা ও কিছু কথা: মুসা আল হাফিজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুসা আল হাফিজ।।

শাল্লায় যে ঘটনা ঘটেছে, এর দায় জোর করে হেফাজত ও মাওলানা মামুনুল হক এর উপর চাপাতে পারলে দেশীয় ও আঞ্চলিক রাজনীতির কোন কোন খেলোয়াড় লাভবান হবে, তা স্পষ্ট।

এখানে তথাকথিত কিছু ভক্ত ব্যবহৃত হয়েছেন। এরা সেই শ্রেণী, যারা হুজুগে ভাসতেই অভ্যস্থ। আমরা এদের সমালোচনা করছি, সতর্ক করছি। হটকারিতাকে আমরা বরাবরই প্রত্যাখান করছি। এদেশের উলামা কখনো সাধারণের এ মানসিকতাকে প্রশ্রয় দেন না। মাওলানা মামুনুল হক সাহেব যে প্রতিবাদ করেছেন, সেটা শুধু তাঁর কথা নয়, সচেতন আলেমরা এ ভূমিকাই উদযাপন করছেন এদেশে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এ ঘটনার আড়ালে কারা? কারা এমন ঘটনায় নেতৃত্ব দেয়, পরিকল্পনা করে? কিন্তু এর চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, ঘটনাটি কি আদৌ ঘটেছে? কতটা ঘটেছে? কীভাবে ঘটেছে?

মূল জায়গায় যদি যান, তাহলে প্রয়োজন পড়বে মিডিয়ার তৈরী ন্যারেটিভকে চ্যালেঞ্জ করা। মিডিয়া যে ন্যারেটিভ খাওয়াচ্ছে, সেটাকে বিনা চ্যালেঞ্চে ছেড়ে দিলে যা ঘটবে, তা হলো, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক বাস্তবতা নিয়ে প্রোপাগাণ্ডা চালিয়ে দেশের ভেতরের ও বাইরের বিশেষ শক্তির রাজনৈতিক বাজিমাত। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন, বাংলাদেশে হিন্দু বিপন্ন , এমন আওয়াজ তুলতে পারলে কার পোয়াবারো হবে, সেটা তো পরিষ্কার।

হেফাজত যদি এককদম অগ্রসর হয়ে ঘটনাটির তদন্ত করে এবং এ নিয়ে যেসব খেলা হচ্ছে, তার মুখোশ খুলে দেয়, তাহলে সেটা হবে ভবিষ্যতে যারা এ জাতীয় খেলা খেলতে চায়, তাদের জন্য সতর্ক সঙ্কেত।

সরকার আপাতত মোদিকেন্দ্রিক প্রতিবাদ থেকে রাস্তাকে সাফ দেখছে। ঘটনা থেকে কে কীভাবে সুবিধা নেবে, সেটা নির্ভর করছে, কে কতোটা বস্তুনিষ্ঠ ও যথোচিত রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিতে পারবে? এটি যথাযথভাবে নিতে না পারলে আপনার ঘরে আগুন লাগিয়ে সে আগুনে আলু পুড়িয়ে খেতে থাকবে অন্য কেউ!

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ