আওয়ার ইসলাম: দ্বিধাবিভক্ত ফিলিস্তিনে ২০০৬ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিপুল বিজয় পেয়েছিল ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলন ফাতাহ ক্ষমতা ছাড়তে রাজি না হওয়ায় কেন্দ্রীয়ভাবে সরকার গঠন করতে পারেনি দলটি। পরে গাজায় হামাস এবং পশ্চিম তীরে ফাতাহ সরকার গঠন করে।
এর প্রায় ১৫ বছর পর দেশটিতে পার্লামেন্টারি ও প্রেসিডেনসিয়াল নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের অফিস থেকে একটি ডিক্রি জারি করে বিষয়টি জানানো হয়।
ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি বছরের আগামী ২২ মে আইনসভা এবং ৩১ জুলাই প্রেসিডেনসিয়াল নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
আলজাজিরার খবরে বলা হয়, দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ মিটিয়ে সম্প্রতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে ফিলিস্তিনের প্রধান দুই দল হামাস ও ফাতাহ। তাদের ঐক্যমতেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে জাতীয় সরকার গঠনের লক্ষ্যে এই নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ফাতাহ ও হামাস জানিয়েছিল, জাতীয় সরকার গঠন করতে নির্বাচনের ব্যাপারে ফাতাহের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিন সরকার (পিএ) এবং হামাসের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। এতে পিএ প্রধান মাহমুদ আব্বাস ও হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া সই করেন।
বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে ঐতিহাসিক এই সমঝোতার মধ্যস্ততা করে এরদোয়ানের তুরস্ক। ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েকটি আরব দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তির পরই ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়।
-এটি