আওয়ার ইসলাম: চিকিৎসা দেয়ার বদলে গুলিতে আহত বাংলাদেশিদের ময়লার ভাগাড়ে রেখে যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। লিবিয়ায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত ৯ জন ফিরে এসে এ লোমহর্ষক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। ওই ঘটনায় ২৬ বাংলাদেশি নিহত হন। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি জানিয়েছে দালাল ও মূল আসামিদের ধরতে শিগগিরই ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করা হবে।
গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে মানব পাচারকারীদের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে ২৬ জন বাংলাদেশি নিহত ও ১২ জন আহত হন। সেসময় এ সংক্রান্ত সর্বমোট ২৬টি মামলা রুজু হয়। সিআইডি ১৫টি মামলা স্ব উদ্যোগে গ্রহণ করে এবং মামলার তদন্তে ইতিমধ্যে আসামি গ্রেফতারসহ অনেকের স্বীকারাক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।
বিদেশে অবস্থানরত দালাল ও মূল আসামিদের গ্রেফতারের জন্য ইন্টারপোল এর মাধ্যমে অচিরেই রেড নোটিস জারি করা হবে।
বর্বরোচিত ঘটনার পর সিআইডি আহত ভিকটিমদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে। যার ফলে গত ৩০ তারিখ সেপ্টেম্বর বিকালে ফিরোজ বেপারী, জানু মিয়া, ওমর শেখ, সজল মিয়া, তরিকুল ইসলাম, বকুল হোসেন, মো. আলী, সোহাগ আহমেদ, সাইদুল ইসলাম আইওএম বাংলাদেশ ও লিবিয়ার যৌথ উদ্যোগে বোরাক এয়ার এর বিশেষ ফ্লাইট ভিজেড ২১৮ করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন।
সিআইডির মানব পাচার ইউনিট ৯ জন ভিকটিমকে সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে আসে। মামলার তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থলের বর্ণনা, ঘটনার সার্বিক বিবরণ ও প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য গ্রহণের জন্যে ভিকটিমদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। এ ঘটনায় অচিরেই ভিকটিমদের আদালতে জবানবন্দি নিয়ে উপস্থাপন করা হবে।
এ ঘটনায় সিআইডির তদন্তাধীন ১৫ টি মামলায় এখন পর্যন্ত ৪৪ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এমডব্লিউ/