মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ১ শাবান ১৪৪৭


টেকনাফ-কক্সবাজার থেকে ১৩৪৮ জন পুলিশের বদলি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চট্টগ্রামের ডিআইজি ও কক্সবাজারের এসপিসহ শুক্রবার পর্যন্ত বদলির আদেশ পাওয়া পুলিশ সদস্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৪৮ জনে।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যার জেরে কক্সবাজারে পুলিশ বাহিনীকে ঢেলে সাজাতে ব্যাপক রদবদলের অংশ হিসেবে কর্মকর্তা থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত প্রায় সবাইকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিআইজ, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৮ শীর্ষ কর্মকর্তা, ৫৩ পরিদর্শক, ১৩৯ জন উপ-পরিদর্শক (এসআই), ৯২ জন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই), ১ হাজার ৫৫ নায়েব ও কনস্টেবল রয়েছেন।

টেকনাফের শামলাপুর চেকপোষ্টে গত ৩১ জুলাই পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। এরপর থেকেই কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশ সদস্যের নানা অনিয়ম সামনে আসতে থাকে। তাই ওই অঞ্চলে পুলিশ প্রশাসনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয় সদরদপ্তর। এ বিষয়ে সাবেক পুলিশ প্রধানরা বলছেন, অপরাধী পুলিশ সদস্যদের শুধু বদলি নয়, অপরাধের মাত্র বিবেচনায় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর ২১ আগস্ট বদলি করা হয় কক্সবাজার সদর থানা ও টেকনাফ থানায় যোগ দেয়া নতুন দুই ওসিকে। ৩১ আগস্ট বদলি করা হয় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকে। আর আলোচিত পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদকে বদলি করা হয় ১৬ সেপ্টেম্বর।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে শুক্রবার কক্সবাজারের আটটি থানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা ৬০০ পুলিশ সদস্যকে বদলি করা হয়। গতকাল বদলি করা হয় ৩৪ পরিদর্শককে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের নতুন ডিআইজি আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ১৩৪৮ জন পুলিশ সদস্যকে বদলি করে তাদের জায়গায় নতুনদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

সাবেক আইজিপি নুরুল আনোয়ার বলেন, অবৈধ উপার্জনের জন্য কক্সবাজার পুলিশের লোভনীয় স্থান হয়ে উঠেছিল। যে কারণে সেখানে কেউ একবার নিয়োগ পেলে নানা তদবিরে বদলি ঠেকিয়ে রাখতেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক, অপরাধ বিশেষজ্ঞ জিয়া রহমান বলেন, উচ্চপর্যায়ে তদবিরের মাধ্যমে দীর্ঘদিন একই জায়গায় দায়িত্ব পালন করা পুলিশের অনেক পুরোনো রেওয়াজ। হারানো ভাবমূর্তি ফেরাতে এই রেওয়াজ থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ