আওয়ার ইসলাম: করোনা মহামারির মধ্যেই কাতার ও তুরস্ক নিজেদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরো সম্প্রসারণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
গত বুধবার কাতারের আর্থিক কেন্দ্র (কিউএফসি) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে এ কথা জানিয়েছেন দেশ দুটির কর্মকর্তারা।
কিউএফসির একসেসকাতার সিরিজের অংশ হিসেবে 'উদীয়মান সুযোগ কাতার ও তুরস্ক' শীর্ষক ওয়েবিনারটি যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করে ইস্তাম্বুল চেম্বার অফ কমার্স এবং দোহাস্থ তুর্কি দূতাবাস। সেখানে কাতারের ব্যবসায়ের সাম্প্রতিক ঘটনাবলির আলোকপাত এবং দেশটিতে তুর্কি কোম্পানিগুলোর জন্য ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
পেনিনসাউলা কাতারের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট মনিটরের খবরে বলা হয়, কাতার ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০১০ সালে দেশ দুটির মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৩৪০ মিলিয়ন ডলার, আর ২০১৯ সালে সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার।
ওয়েবিনারে দোহায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা গোকসু বলেন, অংশীদারিত্ব জোরদার করা এবং মহামারি করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাবগুলো কাটিয়ে উঠতে উভয় দেশেরই ফোকাস রয়েছে।
নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক ভালো রাখার ক্ষেত্রে কাতার এবং তুরস্ক আন্তর্জাতিক সহযোগিতার রোল মডেল হিসেবে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৩৪০ মিলিয়ন (২০১০) থেকে ২.২৪ বিলিয়ন ডলারে (২০১৯) উন্নীত হয়েছে এবং আমরা আরো ৫৩টি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আজ কাতারে ৫৩৫টি তুর্কি-কাতারি যৌথ কোম্পানি কাজ করছে, যোগ করেন তিনি।
তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, তাদের ঠিকাদারদের দ্বারা পরিচালিত প্রকল্পের সংখ্যার দিক দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কাতার প্রথম স্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে তুরস্ক-কাতার ৫০টিরও বেশি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
-এটি