শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জের ৫ আসনে হাতপাখা প্রতীকে লড়ছেন যারা চান্দিনায় খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা ‘ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগ দেওয়ার সংবাদ হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ফেনী জামিয়া ইসলামিয়ায় ৫ দিনব্যাপী বাংলা ভাষা ও সাহিত্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা বেফাকের ৪৯তম পরীক্ষা শুরু, মোট শিক্ষার্থী তিন লাখ ৭৩ হাজার ‘বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরছে’ অপসাংবাদিকতার শিকার হয়েছি: আমিরে মজলিস পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪ পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন ইসি গুমের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

মাদরাসা শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মাদরাসা শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল কালাম তালুকদার আজাদসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজাপুরের কেওতা ঘিগড়া ফাজিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। মাদরাসার নিয়োগ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন অধ্যক্ষ মাওলানা অলিউল্লাহ।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আবুল কালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাদরাসা শিক্ষককে মারধরের সত্যতা পাওয়া গেছে। অধ্যক্ষ বাদী হয়ে যুবদল নেতা নাজমুল হুদা চমন, উপজেলা বিএনপি সভাপতি তালুকদার আবুল কালাম, উপাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম এবং প্রভাষক শাহিন হাওলাদারসহ কয়েকজন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।’

অভিযোগকারী মাওলানা অলিউল্লাহ বলেন, ‘মাদরাসার একটি নিয়োগ পরীক্ষায় অফিস সহকারী পদে প্রথম হওয়া হাফিজুরকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই পরীক্ষায় যুবদল নেতা চমনের স্ত্রী মরিয়ম যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। চমন তার স্ত্রীকে নিয়োগ দিতে চাপ দিতে থাকে। এ নিয়ে চমন ঝালকাঠির রাজাপুর সহকারী আদালতে একটি মামলাও (নং ৯২/১৯) করে। আদালত সেই মামলা খারিজ করে দেয়। তাই সে তার লোকজন এবং মামা আবুল কালামকে নিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটায়। আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মোবাশ্বের হোসেন এবং এবতেদায়ি প্রধান সাইদুর রহমান আহত হন।’

এদিকে অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি এই মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি ছিলাম। ৪-৫ মাস আগে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করি। সেই পদত্যাগপত্রের রেজুলেশনে স্বাক্ষর নিতে গেলে শিক্ষকরা অধ্যক্ষের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে অধ্যক্ষের ঝামেলা হয়। আমি খবর শুনে ঘটনাস্থলে যাই। মারধরের ঘটনায় আমি জড়িত নই।’

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর বলেন, ‘আবুল কালামের মতো একজন অভিজ্ঞ লোক এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আমার মনে হয় না। তারপরও যদি সে এই ঘটনায় জড়িত থাকে, তাহলে আমি এর নিন্দা জানাই।’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ