আবদুল্লাহ তামিম
আওয়ার ইসলাম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বন্দি থাকা পাকিস্তানি ড. আফিয়া সিদ্দিকীর বোন ড. ফাওজিয়া সিদ্দিকী বলেছেন, পাকিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র আমার বোন আফিয়া সিদ্দিকীকে মুক্তির বিনিময়ে কিছু চায়, এ জন্য তাকে বন্দি করে রাখা হয়েছে।
ফাওজিয়া সিদ্দিকী দাবি করেন, আমেরিকা থেকে এ বিষয়ে আমরা ইঙ্গিত পেয়েছি তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথিত দাবিগুলির বিষয়ে বিস্তারিত এখনই জানানো যাবে না। প্রথমে এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ড. ফয়সাল এক টুইটার বার্তায় বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী সেক্রেটারি অব স্টেট এলিস ওয়েলসের সঙ্গে সফরকালে পাকিস্তানের অনুরোধে ড. আফিয়া সিদ্দিকী ও এলিস ওয়েলসের মামলাটি গ্রহণ করেছিলেন।
বার্তাটিতে আরো বলা হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি ড. আফিয়া সিদ্দিকীর বোন, ড. ফাওজিয়া সিদ্দিকীর সঙ্গে ইসলামাবাদে শিগগির দেখা করবেন।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের জুলাই মাসে রসায়নিক উপাদান ও রসায়নিক উপাদান তৈরির কাগজপত্র রাখার অপরাধে ড. আফিয়াকে নিউয়র্ক থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল।
নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয় রাসায়নিক উপাদান ও নিউয়র্ক আক্রমণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ড. আফিয়া নিরাপত্তাকর্মীর রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে গুলি করে। এতে কেউ আহত বা নিহত না হলেও তাকে পেতে হয়েছে কঠিন শাস্তি।
আফিয়ার আইনজীবী দৃঢ়ভাবে বলেছিলেন, আফিয়ার অবস্থা ভালো ছিলো না তাই সে অবস্থায় রাইফেল থেকে গুলি করেছেন তিনি। শুধুমাত্র রাইফেল ছিনিয়ে নেয়ায় ড. আফিয়ার সম্পর্ক সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে হতে পারে না।
আমেরিকার সামরিক আদালতে আফিয়া সিদ্দিকীকে দোষী সাব্যস্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত। সরকারি কর্মকর্তারা হত্যা ও হত্যার চেষ্টা করার অভিযোগে সাতটি অভিযোগ দায়ের করে তার বিরুদ্ধে।
কিভাবে আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তানে আনা যাবে?
গত কয়েকদিন পূর্বে পাকিস্তানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন শহরে যুক্তরাষ্ট্রের একজন জেনারেল নিয়মিত আফিয়া সিদ্দিকীর সঙ্গে পাকিস্তানের যোগাযোগ রক্ষা করে অাসছেন।
তার বরাতে জানা যায়, সর্বশেষ অক্টোবরের ৯ তারিখের সাক্ষাতে তিনি পাকিস্তানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইমরান খানক