শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ ।। ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ধর্ষণ, চার সাক্ষী ও শরয়ি আইন: প্রচলিত ভুল ধারণার জবাব সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভায় আলোচনা হলো যেসব বিষয় সাড়ে ৪ হাজারেরও বেশি অবৈধ ভারতীয়কে ফেরত পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র সুদানে মৃত্যুবরণ করা সেনা সদস্য মহিউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন গহরপুরী রহ.কে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান বিএনপি একটি অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে: আসিফ মাহমুদ সীমান্তে ৫ ভারতীয় নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ‘শিক্ষকরাই আগামী প্রজন্ম গড়ার প্রধান কারিগর’ সীমান্তে পুশইন ইস্যুতে সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়: মাওলানা ইউনুস আহমদ ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

গহরপুরী রহ.কে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দেশের বরেণ্য আলেম ও বুজুর্গ, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি শায়খুল হাদিস আল্লামা নূরউদ্দীন আহমদ গহরপুরী রহ.কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিলেট-৩ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য এম এ মালেকের বিরুদ্ধে। তাকে অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে তারা আন্দোলনে নামার ঘোষণাও দিয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) সিলেটের বালাগঞ্জের গহরপুর এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে বিএনপির সংসদ সদস্য এম এ মালেক তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করায় এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী আল্লামা গহরপুরী রহ.-এর একমাত্র সাহেবজাদা এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজুর তীব্র সমালোচনা করেন। ওই এলাকাকে তিনি ‘পাকিস্তান’ মনে করতেন বলে জানান। এক পর্যায়ে সর্বজন স্বীকৃত বুজুর্গ আল্লামা গহরপুরী রহ.কে ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ এবং ‘পাকিস্তানি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

এমপি এম এ মালেকের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার তীব্র সমালোচনা করেন নেটিজেনরা। দেশে-বিদেশে আল্লামা গহরপুরী রহ.-এর ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা থাকায় সরকার দলীয় এমপির এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান অনেকেই। বিএনপির এই নেতার মানসিক সুস্থতা নিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন।

সিলেটবাসী বিশেষ করে সিলেট-৩ নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণ এই বক্তব্যে আহত হন। তারা এমপির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম এ মালেককে তীব্র আক্রমণ করেন। তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, লন্ডন বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ মালেক গত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার সঙ্গে নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সিলেটের ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরের মুহতামিম, বেফাকের সহসভাপতি এবং গহরপুরী রহ.-এর একমাত্র সাহেবজাদা মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু। তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীক নিয়ে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে মাওলানা রাজুর বিজয়ী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকলেও বিএনপির প্রার্থী ব্যাপক কারচুপি ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ