চট্টগ্রাম নগরে কোরবানির দিন সন্ধ্যার মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। তবে অনেক স্থানে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনও বর্জ্য থাকতে দেখা যায়। একই সঙ্গে অনেক এলাকায় বর্জ্য পূর্ণাঙ্গরূপে পরিষ্কার না করা এবং প্রয়োজনীয় পরিমাণ ব্লিচিং পাউডার না ছিটানোর কারণে গন্ধও ছড়ায় বলে অভিযোগ নগরবাসীর।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পরিচ্ছন্ন বিভাগ নগরের বর্জ্য অপসারণ করে।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার কোরবানির পশু জবেহের পরই সকাল ৯টা থেকে চসিক বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু করে। এরপর সন্ধ্যার মধ্যে অপসারণ কাজ শেষ করা হয়। এবার পরিচ্ছন্ন কাজে প্রস্তুত ছিল চসিকের ৩ হাজার ২০০ কর্মী। ৪১টি ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ ভ্যান গাড়ি, ৩৭৯টি ডাম্প ট্রাক, পে-লোডার গাড়িতে বর্জ্য অপসারণ করা হয়। চসিক এবার ৫ হাজার ৭০০ কেজি ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়েছে এবং বর্জ্য ফেলার জন্য ৩৮ হাজার পলিথিন বিতরণ করে।
চসিকের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা বলেন, ডাম্প ট্রাক, পে-লোডার, ভ্যানসহ ৩৭৯টি গাড়িতে বর্জ্য অপসারণ করা হয়। বর্জ্য অপসারণের জন্য নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে উত্তর ও দক্ষিণ জোনে ভাগ করা হয়। উত্তর-দক্ষিণের ২২টি ওয়ার্ডের বর্জ্য ফেলা হয় আরেফিন নগরের আবর্জনাগারে এবং পতেঙ্গা-বন্দর এলাকার ১৯টি ওয়ার্ডের বর্জ্য ফেলা হয় হালিশহরের আবর্জনাগারে। সন্ধ্যার মধ্যেই সবগুলো আবর্জনা অপসারণ করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, কোরবানির দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনও পশু জবেহ করা হয়। সেগুলো গতকালও অপসারণ করা হয়। এবার যথেষ্ট পরিমাণ ব্লিচিং পাউডারও ছিটানো হয়।
জানা যায়, এবার চসিক পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করে। নগরবাসী যাতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু জবাই করেন এবং জবাই শেষে চসিকের সরবরাহ করা পলিথিন ব্যাগে বর্জ্য ভরে নির্দিষ্ট পয়েন্টে রেখে যান, সে বিষয়ে প্রচারণা চালানো হয়। বেলা ২টা থেকে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য পৃথক গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।