fbpx
           
       
           
       
হজরত ইবরাহিম বিন আদহাম রাহ. এর উপদেশবাণী: পর্ব-৪
জুন ২৩, ২০২২ ৭:০৬ অপরাহ্ণ

মুযযাম্মিল হক উমায়ের

২৬. অচিরেই এমন সময় আসবে মানুষ দেখতে মানুষের মতোই দেখা যাবে কিন্তু তাদের অন্তর হবে হিংস্রপ্রাণীদের অন্তর। সেই সময়ের যুবকরা হবে চোর। আর বাচ্চারা হবে কঠোর স্বভাবের। মুরব্বীরা সৎ কাজের আদেশ করবে না। অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করবে না। সেই সময়ের ফাসেক-খারাপরা সম্মানের পাত্রে পরিণত হয়ে যাবে। আর মুমিনরা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের স্বীকার হয়ে যাবে। সূত্র: আল-উযলা ওয়াল-ইনফিরাদ লি ইবনি আবিদ দুনিয়া: পৃ. ৪৮

২৭. তোমরা বিশেষকরে বন্ধু-বান্ধব ও ভাই-বেরাদরের সাথে অধিক ওঠাবসা করা থেকে বিরত থাকো। (কারণ, তা মানুষকে দুনিয়ামূখী করে দেয় আর পরকাল থেকে বিমূখ করে দেয়) সূত্র: আল-উযলা ওয়াল-ইনফিরাদ লি ইবনি আবিদ দুনিয়া: পৃ. ৬২

২৮. যে ব্যক্তি মহিলাদের রানকে ভালো পছন্দ করবে সে ব্যক্তি কখনো সফল হতে পারবে না। সূত্র: ইতিলালুল কুলুব লিল খারায়াতি: খ. ১, পৃ. ১১০ ২৯. হজরত ইবরাহিম বিন আদহাম রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলেন, ‘আমরা যখন যুবকদেরকে মজলিসে কথা বলতে শুনতাম, তখন আমরা তাদের থেকে কল্যাণের বিষয়ে হতাশ হয়ে যেতাম। (অর্থাৎ, তাদের দ্বারা জাতির যে কল্যাণ হবে আশা করতাম, সেই আশা থেকে নিরাশ হয়ে যেতাম।

কারণ, তারা তো জাতির কল্যাণের বিষয় নিয়ে ভাবার কথা ছিলো। কিন্তু তারা সেই কাজের কাজ না করে, অনার্থক কাজে লিপ্ত আছে। তাই তাদের দ্বারা জাতি উপকৃত হবে- সেই আশা হারিয়ে ফেলতাম। আশা নিরাশায় পরিণত হয়ে যেতো- সংকলক) সূত্র: মাকারিমুল আখলাক লিল খারায়িতি: পৃ. ২৩৬

৩০. স্থায়ী বিষণ্নতা পরিবারের জন্য সবচেয়ে অসহ্যকর কাজ। এটি এমন একটি রোগ মৃত্যু ছাড়া যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার কোন উপায় নেই। (তাই বিষণ্নতা থেকে বেঁচে থাকতে হবে- সংকলক) ৩১. আলেমের চুপ থাকা শয়তানের উপর তাঁদের কথা বলার চেয়ে অনেক ভারি। কারণ, সে সহনশীলতার গুণে চুপ থাকার গুণ অর্জন করে। আর ইলমের গুণে চুপ থাকে। এই কারণেই বলা হয়, চুপ থাকা হলো আলেমের জন্য অলংকার। সূত্র: কুতুল কুলুব. খ. ১, পৃ. ২৬৫

৩২. লোকজন থেকে কোনো কিছু গ্রহণ না করার কারণে লোকেরা আমাদেরকে শাসনের সুরে ক্ষোভ প্রকাশ করতো। এমন সময় ঘনিয়ে আমরা গ্রহণ করবো সাথে তাদেরকে শাসনও করবো। অর্থাৎ তাদের উপর আমাদের প্রভাব থাকবে। তবে অচিরেই এমন সময় ঘনিয়ে যখন আমরা তাদের কাছে চাইবো কিন্তু তারা আমাদেরকে কোনো কিছু দেবে না। সূত্র: আল-উযলা লিল-খাত্তাবী: পৃ. ৬৭

-এটি