বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
টেকনাফে কওমি পড়ুয়া আব্দুল্লাহ সাঈদের ধারাবাহিক সাফল্য ‘দলীয় স্বার্থ বিবেচনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পেছানো একটি ফ্যাসিবাদী প্রবণতা’ হবিগঞ্জ ইকরা শিশুদের যুদ্ধবিরোধী অভিনব প্রতিবাদ ঢাকা-১৩সহ ৫ আসনের ব্যালট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের সরকার জাতিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়: আমিরে মজলিস ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আহত দুবাই বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪  ‘একটি প্রাণবন্ত সংসদ চাই, আলোচনায় সব সমস্যার সমাধান’ বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচন ঘিরে সব বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে চান্স পেলেন তিন বাংলাদেশি কওমি তরুণ

জামালপুর থেকে নিখোঁজ সেই তিন মাদ্রাসাছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জামালপুরের একটি আবাসিক মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হওয়া তিন ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর মুগদা এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের পোড়ারচর সরদারপাড়া গ্রামের মাফেজ শেখের মেয়ে মীম আক্তার (৯), গোয়ালেরচর ইউনিয়নের সভুকুড়া মোল্লাপাড়া গ্রামের মনোয়ার হোসেনের মেয়ে মনিরা খাতুন (১১) ও সুরুজ্জামানের মেয়ে সূর্য ভানু (১০)। তারা সবাই মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিন দিন আগে ওই তিন ছাত্রী মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে জামালপুরের ইসলামপুর রেলস্টেশনে গিয়ে ট্রেনে চড়ে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে নামে। পরে তারা একটি রিকশা ভাড়া করে। কিন্তু কোথায় যাবে তারা বলতে পারছিল না। পরে ওই রিকশাচালক তাদের মুগদায় নিজ বাসায় নিয়ে রাখেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে জামালপুরের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (ইসলামপুর সার্কেল) মো. সুমন মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই রিকশাচালকের বাড়ি থেকে তিন ছাত্রীকে উদ্ধার করে।

এএসপি সুমন মিয়া আরও জানান, তিন শিক্ষার্থীর বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ না করায় ওই কিশোর রিকশাচালককে আটক করা হয়নি। রাতেই ওই তিন মাদ্রাসাছাত্রীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে জামালপুরে আনা হয়েছে। শিশু ডেস্কের কর্মকর্তা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে। পরবর্তী সময়ে হয়তো আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

গত রোববার রাতে ওই তিন ছাত্রী উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নের বাংলা বাজার এলাকার দারুত তাক্বওয়া মহিলা ক্বওমী মাদ্রাসার অন্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে।

পরদিন সকালে ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য ঘুম থেকে সব শিক্ষার্থীকে জাগিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদের মতো ওই তিন শিক্ষার্থীও নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নেয়। তখন থেকে নিখোঁজ তারা।

এরপরই সোমবার বিকেলে মাদ্রাসার মুহতামিম ইসলামপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এ ঘটনার পর মাদ্রাসার দুই শিক্ষক ও দুই শিক্ষিকাকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই মাদ্রাসায় ৭৫ জন শিক্ষার্থীকে আট জন শিক্ষক পাঠদান করান। মাদ্রাসাটি ২০২০ সাল থেকে চালু হয়েছে।

এ ঘটনার পর প্রশাসন মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দিয়েছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ