সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড় জামায়াত-শিবির কখনো ইসলামি দল হতে পারে না: সিরাত সম্মেলনে বক্তারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

রমজানে ইবাদাতে প্রাণ ভেজাতে খাবারে দরকার বাড়তি সতর্কতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

খাদিজা ইসলাম: রোযায় একটু অসতর্ক হলেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হই। বিশেষ করে খাবার-দাবারের অনিয়মে পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হই। সেক্ষেত্রে কিছু টিপস মেনে চললে সুস্থ থাকা যায় -

ইফতারে পরিমিত পানি পান করা: সারাদিন অভুক্ত অবস্থায় থাকার পর, প্রচুর পরিমাণে পানি পিপাসা পায়। ঠিক ইফতারের সময় আমরা গোগ্রাসে পানি পান করতে থাকি। যার ফলে আমরা আর রাতের খাবার খেতে পারি না। হজমে সমস্যা হয়। রুচি চলে যায়। তাই ইফতারের আইটেমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পানি পান করা উচিত। ইফতারের সময় থেকে সেহরি অবধি অল্প অল্প করে পানি পান করব।

দ্রুত খাওয়া পরিহার করা: রোজা রাখার দরুন ক্ষুধা লাগে। কোনো বাঁছ-বিচার ছাড়াই দ্রুত খাবার খাই। এটা মোটেও উচিত না। গবেষণা বলছে চিবিয়ে চিবিয়ে আস্তে আস্তে ধীরে সুস্থে খেতে। যেন খাবারগুলো হজমে অসুবিধা সৃষ্টি না করে। চিবিয়ে খেলে খাবারের স্বাদ পাওয়া যায়,সেই সাথে ডায়েট ও ঠিক থাকে।

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া: রমজানে বিশেষ করে ভাজা-পোড়া খাওয়া হয়; যা মোটেও উচিত নয়। এইসব ভাজা-পোড়া ইফতার আমাদের শরীরে এসিডিটি তৈরি করে। যার ফলে আমরা পেটের পীড়ায় ভুগি। ভাজা-পোড় খাবার পরিহার করে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবারের কোনো বিকল্প নেই এই রমজানে। পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে শাকসবজি ফলমূল অন্যতম।

ইফতারের পরবর্তী সময়ে বিশ্রাম: ইফতার পরবর্তী সময়ে ভুল করেও আমরা শরীর চর্চায় লিপ্ত হব না। কেননা ব্যায়ামে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়, হজমে অসুবিধা হয়। ইফতারের পর কমপক্ষে ১ ঘন্টা বিশ্রাম নেওয়া উচিত। ডান কাথ হয়ে সুয়ে থাকলে খাবার তারাতাড়ি হজম হয়, সেই সাথে শরীরের ক্লান্তিকর ভাব চলে যায়। মনটাও প্রফুল্ল হয়ে উঠে।

লেখক, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যম কর্মী

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ