শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বালাগঞ্জে বিকেএমের ওয়ার্ড প্রতিনিধি ও দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশ গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল মহিলা মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, ৫ শিক্ষার্থী আহত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, নেতাকর্মীদের সতর্ক করল বিএনপি রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার

যেসব কারণে ঘুমানোর সময় গলা শুকায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অনেকেই রাতে ঘুমানোর সময় ঘন ঘন গলা শুকানোর সমস্যায় ভোগেন। কারো আবার রাতে ঘুম ভেঙে পানির পিপাসা লাগে। কখনও আবার সকালে ঘুম ভেঙেও পানি পিপাসা লাগে কারো কারো। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে এর কারণ খুঁজে বের করা দরকার। কারণ অনেক সময় শারীরিক কোনো সমস্যা থাকলে ঘন ঘন পানি পিপাসা লাগতে পারে। যেমন-

মূলত জেরোস্টোমিয়া নামের রোগের কারণে মুখে লালা কমে যায়। তখন ঘন ঘন পানি পিপাসা লাগে।

যাদের অ্যাজমার সমস্যা থাকে তারা নাকের বদলে অনেক সময় মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নেন। ঘুমোনোর সময়ও হা করে থাকেন। এতে মুখের লালা শুকিয়ে যায় এবং ঘন ঘন পানি পিপাসা লাগে।

ডায়াবেটিস রোগীদেরও ঘন ঘন পানি পিপাসা লাগে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতে গলা শুকিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ডায়াবেটিস।

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হলেও ঘন ঘন পানি পিপাসা লাগতে পারে। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা অতিরিক্ত ঘামেন। ফলে সহজেই গলা শুকিয়ে যায়।

যারা ধূমপান ও অ্যালকোহল পান করেন তাদেরও এই সমস্যা হতে পারে। জার্নাল অফ ডেন্টাল রিসার্চের পরীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ধূমপান ও অ্যালকোহল পান করেন তাদের মধ্যে শতকরা ৩৯ শতাংশ মানুষের মুখের লালা উৎপাদন কমে যায়। থকন ঘন ঘন পানি পিপাসা পায়।

পেটের সমস্যা বা পানিশূন্যতা হলেও গলা শুকিয়ে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে ঘন ঘন গলা শুকানোর সমস্যা হলে কিছু প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। যেমন-
ধূমপান থেকে বিরত থাকুন

অতিরিক্ত চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তাও ত্যাগ করতে হবে।
বেশি অ্যালকোহল পানে এই সমস্যা দেখা যায়। এ কারণে অ্যালকোহল পান বন্ধ করুন।
শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ