মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


ঈদ উপলক্ষে আফগান সরকারের সাথে অস্ত্র-বিরতি তালেবানদের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঈদ উপলক্ষে আফগান সরকারের সাথে তিন দিনের অস্ত্র বিরতি ঘোষণা করেছে তালেবানরা। দেশটিতে রোববার ঈদের দিন থেকে এই অস্ত্র-বিরতি শুরু হবে।

সম্প্রতি সপ্তাহ গুলোতে সরকারি বাহিনীর উপর হামলা জোরদার হওয়ার মধ্যেই এই ঘোষণা আসলো।

প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে তার সেনারা অস্ত্র-বিরতির শর্ত মেনে চলবে। এই তিন দিনের অস্ত্র-বিরতি ভবিষ্যতে দীর্ঘ মেয়াদে সহিংসতা কমিয়ে আনার আশা জাগিয়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কিন্তু ২০১৮ সালের ঈদের সময়ও এ ধরণের ঘোষণা এসেছিল এবং তখন আসলে সেটি আর দীর্ঘায়িত হয়নি। কোথাও কোন শত্রু ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো যাবে না। তবে যদি শত্রুপক্ষ হামলা চালায় তখন নিজেদের রক্ষায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া যাবে শনিবার নিজের দলের সদস্যদের প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছেন তালেবানদের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ।

তিনি আরো বলেন, অস্ত্র-বিরতি শুধুমাত্র ঈদ-উল-ফিতরকে কেন্দ্র করে ঘোষণা করা হয়েছে যা পবিত্র রমজান মাসের সমাপ্তি টানে।

এ ঘোষণার পর পরই আশরাফ ঘানি তার টুইটারে লেখেন, আমি অস্ত্র-বিরতিকে স্বাগত জানাই। আমি সামরিক বাহিনীকে তিন দিনের অস্ত্র-বিরতির শর্ত মেনে চলার এবং শুধু হামলার শিকার হলেই যাতে তারা পাল্টা ব্যবস্থা নেয় সে বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছি।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানদের মধ্যে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি সই হওয়ার পর আফগান এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা আশা করেছিলেন যে, সহিংসতা হয়তো কমে আসবে।

কিন্তু বন্দী বিনিময় পদক্ষেপের জের ধরে শান্তি আলোচনা আটকে গেছে এবং সম্প্রতি সপ্তাহগুলোতে সরকারি বাহিনীর উপর হামলার ঘটনাও বেড়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে রাজধানী কাবুলে একটি হাসপাতালের মেটারনিটি ওয়ার্ডে হামলার ঘটনা ব্যাপক নিন্দার মুখে পড়েছে। তবে তালেবানরা এই হামলার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে। আর এ ঘটনার পর তালেবানসহ সব ধরণের গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।

তিনি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি অভিযোগ তুলেছেন যে, বার বার সহিংসতা কমানোর আহ্বান জানানো সত্ত্বেও তারা তা অমান্য করেছে।

তালেবান-মার্কিন চুক্তিতে কী আছে?

যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানদের মধ্যে যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় তার উদ্দেশ্য ছিল আফগানিস্তানে শান্তি ফিরিয়ে আনা। যা দেশটিতে ১৮ বছর ধরে চলে আসা যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে পারতো।

চুক্তি অনুসারে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, মে মাসের মধà§