মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকে পাওয়া গেল চাঁদপুরে, নেপথ্যে যে কারণ আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ায় দুই দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী মাহফিল শুরু ১৩ নভেম্বর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার মোকাবিলায় উত্তরায় মুহতামিম সম্মেলন কাবার দরজার কারিগর থাই নাগরিক এবার বাদশাহর অতিথি হয়ে সৌদি সফরে প্রবাসীদের অভিযোগের সমাধান হবে ই-মেইলেই কুলাউড়ায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ২ শিশুর  ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বিমানবাহিনীর  

ইসরায়েলি কারাগারে মুসলিমদের বেদনাময় ঈদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গাজা উপত্যকারর বাসিন্দা নাসরিন আবু কামাল(৪৬) ২০১৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে বন্দী আছেন দখলদার ইসরাইলের কারাগারে। গত ৬ বছরে একবারও তার আত্মীয়-স্বজনদের সাক্ষাৎ করতে দেয়া হয়নি এই নারীর সাথে। এমনকি ঈদের দিনগুলোতেও নয়।

তাই কিভাবে তার ঈদগুলোও তাই কাটে নির্জন কারা প্রকোষ্ঠে সেটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে একটি উপায়ে তিনি অবশ্য পরিবারের সাথে, সন্তানদের সাথে ‘সংযোগ’ স্থাপন করতে পারেন। সেটি ফিলিস্তিনের একটি রেডিও স্টেশনের মাধ্যমে।

রেডিও স্টেশনটি থেকে প্রতি বছর ঈদের দিনে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে নারী বন্দীদের- বিশেষ করে যেসব মায়েরা বন্দী আছেন ইসরাইলি কারাগারে তাদের পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা বার্তা (ভয়েস মেসেজ) প্রচার করা হয়। ইসরাইলি কারা কর্তৃপক্ষ অবশ্য সেই অনুষ্ঠানটি শোনার সুযোগ করে দেয় বন্দীদের।

পরিবার, সন্তানদের সাথে দেখা করতে না পারা একজন মা যখন তার আপন কারো কণ্ঠে রেডিওতে তার উদেশ্যে শুভেচ্ছা বার্তা শুনতে পান সেটি এক হৃদয় বিদারক পরিস্থিতির জন্ম দেয় কারাগারে।

গত বছর ঈদের সময় ইসরাইলি কারাগারে বন্দী ছিলেন গাজার আরেক নারী হাইফা আবু-এসবেই। ৬ বছর ধরে বন্দী থাকা নাসরিন আবু কামাল ঈদের দিন রেডিও অনুষ্ঠানে প্রিয়জনের কণ্ঠ শুনে কেমন করেছিলেন সেটি তিনি তুলে ধরেছেন সংবাদ মাধ্যমের কাছে।

হাইফা বলেন, ঈদের দিন বিকেলে নাসরিন যখন রেডিও অনু্ষ্ঠানে তারা সবচেয়ে ছোট সন্তানের কণ্ঠ শুনতে পান তখন একই সাথে তাকে প্রচন্ড আনন্দিত ও প্রচণ্ড দুঃখী মনে হয়েছে। অবুঝ শিশুর মতো আচরণ করেছেন তিনি। রেডিওতে প্রাণপ্রিয় সন্তানের সেই বার্তাটি প্রচারিত হওয়ার সময় তার চোখ ছিলো বন্ধ। মুখমণ্ডলে শুরুতে একরাশ আনন্দ ফুটে উঠলেও এরপরই সেখানে ভর করে যন্ত্রণা আর পরিবারকে কাছে পাওয়ার আকুলতা।

তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে হাইফা বলেন, কারাগারের ঈদে কোন আনন্দ কিংবা উৎসব থাকে না। তবে ফিলিস্তিনি বন্দীরা একে অন্যকে প্রাণবন্ত রাখার চেষ্টা করেন। হাইফা কারাগারে ঈদের স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, অনেক বিধিনিষেধ থাকলেও বন্দীরা কারারক্ষীদের চোখ এড়িয়ে নিজেদের আত্মাকে প্রশান্তি দেয়ার চেষ্টা করেন।

কেউ কেউ কারা কর্তৃপক্ষে কাছ থেকে পাওয়া সামান্য সামগ্রী দিয়ে ঈদ ক্যান্ডি বানান। কেউ অন্য বন্দী বা স্বজনদের উদ্দেশ্যে ঈদ বার্তা লেখেন হৃদয়গ্রাহী বাক্য দিয়ে।

হাইফা জানান, গত বছর ঈদের দিন তিনি সব নারী বন্দীদের চমকে দিয়েছিলেন। সবাই ঘুম থেকে উঠে দেখেছে মাথার কাছে মিষ্টি রাখা। সামান্য সামগ্রী পেয়ে দুই দিন সময় নিয়ে অল্প কিà