সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২০ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই বিপ্লব ফরাসি বিপ্লবের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়: রিজভী ১৫ আলেম ও ব্যবসায়ীর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে যোগদান মসজিদে নববীতে নতুন দায়িত্ব পেলেন শায়খ ড. আহমদ আল-হুযাইফি এবার নারী কেলেঙ্কারিতে পদ গেল জামায়াতের রুকনের ইসলামী আন্দোলনের গণঅভ্যুত্থান দিবসের সমাবেশ সফল করার আহ্বান বেফাকের ইবতিদাইয়া মারহালার মানবণ্টন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ইবনে বতুতার ভ্রমণকাহিনির প্রথম ইংরেজি অনুবাদের দুর্লভ কপি রিয়াদে তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ, পাশে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ‘দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন বাতিল করতে ল ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার’  ভাঙায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২৫

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি জামে মসজিদ এলাকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত শুক্রবারের মতো আজও সংশোধনী নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লি। প্রবল শীত উপেক্ষা করে বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। দিল্লি জামে মসজিদের সামনে বিক্ষোভ দেখান হাজার হাজার লোক। কোনো রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়। সংবেদনশীল জায়গাগুলোতে টহল দেয় পুলিশ।

জামে মসজিদের সামনে বিক্ষোভে শামিল হন কংগ্রেস নেতা অলকা লাম্বা এবং দিল্লির এক প্রাক্তন বিধায়ক শোয়েব ইকবাল। নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে লাম্বা বলেন, ‘দেশে এই মুহূর্তে বেকারি একটা বড় সমস্যা। কিন্তু আপনি এনআরসি-র জন্য মানুষকে লাইনে দাঁড় করাচ্ছেন। যেমনটা করেছিলেন নোটবন্দির সময়।’

অন্যদিকে, ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদের মুক্তির দাবিতে কয়েকশ বিক্ষোভকারী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করে। কিন্তু সেখানে আগে থেকেই বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকায় বিক্ষোভকারীরা এগোতে পারেনি। জোরবাগেও আজাদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ হয়।

জমায়েতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গত শুক্রবারই এই জামা মসজিদের সামনেই চন্দ্রশেখর আজাদের নেতৃত্বে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছিল। ওই দিন সন্ধ্যায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশ-বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দফায় দফায় খণ্ডযুদ্ধ চলে। দুই পক্ষেরই অনেকে আহত হন।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে গত কয়েক দিন ধরে পুলিশ-বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী। বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে। জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, যন্তর মন্তর, সিলামপুরসহ দিল্লির বহু জায়গায় অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। যানবাহনে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এ দিন রাজ্য জুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ