বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ।। ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ত্রয়োদশ সংসদে শোক প্রস্তাবে নিজামী, সাঈদী, হাদিসহ বিভিন্ন নেতার নাম ত্রয়োদশ সংসদে রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণার পরই হট্টগোল জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও খোলা থাকবে বিপিসির ডিপো রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সভাপতিত্ব করবেন যারা স্পিকার হয়েই বিএনপির স্থায়ী কমিটির পদ ছাড়লেন হাফিজ উদ্দিন বেফাকের ৪ ক্লাসের নুরানি সিলেবাসের নতুন বই বাজারে বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে হামলা বন্ধ করার আহ্বান নিরাপত্তা পরিষদের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেলেন আহমদ আযম খান

হাজী আবদুল ওয়াহাবের জানাযা ও দাফন সম্পন্ন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বি আলমি শুরার প্রধান হাজী আবদুল ওয়াহাবের জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাইবেন্ড এর সুন্দর রোড ইজতেমার মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে বাদ মাগরিব জানাযার নামাজ আদায় করা হয়। ডেইলি পাকিস্তানের বরাতে জানা যায়, হাজী আবদুল ওয়াহাবের ওসিয়ত অনুযায়ী সুন্নাত তরিকায় তার কাফন দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। দ্রুত কাফন  দাফনের কথা ওসিয়ত করেছিলেন তিনি।

তার জানাযায় পাকিস্তান পাঞ্জাব প্রদেশের স্পিকার পারভেজ এলাহিসহ পাঞ্জাব পরিষদের বহু শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন।

পাকিস্তানের  প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তাবলিগ জামায়াতের মুরব্বি হাজী আব্দুল ওয়াহাবের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন,  হাজী আবদুল ওয়াহাব দীনের অনেক বড় খাদেম ছিলেন। তার জায়গা পূরণীয় নয়। ইসলামের খেতমতে তিনি নিজের জান মাল কুরবান করেছেন। মানুষ তাকে চিরকাল স্মরণ করবে।

উল্লেখ্য, হাজী আবদুল ওয়াহাব ছিলেন পাকিস্তানের তাবলিগ জামাতের আমীর। দাওয়াত ও তাবলীগের আলমি শুরার প্রধান।

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তিদের তালিকায় যার নাম উঠে এসেছে বারবার।  সবচেয়ে দীর্ঘ বক্তৃতা রাখার জন্যেও তার নাম গণনা করা হয় গিনেস ওয়ার্ল্ডে।

হাজী আবদুল ওয়াহাব ১৯২৩ সালেন ১ জানুয়ারি ভারতের রাজধানী দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। তার মূল নাম রাও মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব। তিনি ঐতিহ্যবাহি রাজপুত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি লাহোর ইসলামিয়া কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি হাসিল করেন। পরবর্তীতে তিনি দেশভাগের সময় একটি তহসিলদার হিসেবে কাজ করেন।  তিনি মজলিস-ই-আহরার-ই-ইসলামের জন্যও কাজ করেছিলেন।

হাজী আবদুল ওয়াহাব তাবলীগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা হজরতজি ইলিয়াস কান্ধলভীর জীবদ্দশায় তাবলিগে যোগ দেন। তিনি ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারী নিজামুদ্দিন মারকাজে আসেন। প্রায় ছয় মাস মওলানা ইলিয়াস কান্ধলভী রহ. এর সোহবতে কাটান।

সে সময় তিনি তাবলিগ জামাতে মেহনত করার উদ্দেশ্যে চাকরি ছেড়ে দেন। মহান এ মণীষা মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলভী, ইউসুফ কান্ধলভী এবং ইনামুল হাসান কান্ধলভীর সরাসরি সাথী।

হযরতজী মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াস রহ.’র শিষ্য হলেও তিনি সোহবত লাভ করেছেন হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রাহ., শায়েখ আব্দুল কাদির রায়পুরী রাহ., শায়খুল ইসলাম সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী রাহ.’র।

পরবর্তীতে হাজী সাহেবকে পাকিস্তানের তাবলিগ জামাতের আমির, রায়বেন্ড মারকাজের আমির, শুরা প্রধান ও নিজামুদ্দিন মারকাজের আলমী শুরা হিসেবে মনোনীত করা হয়।

সূত্র: ডেইলি পাকিস্তান

হাজী আবদুল ওয়াহাব; বিশ্বব্যাপী যার অবদান


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ