সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনে নেওয়া হবে ৭ দাঈ ফজরের নামাজে সিজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু শোলাকিয়া ঈদগাহে ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প, লাগানো হবে নিমগাছ সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা আজ কুরআনের আলোয় হৃদয় বদল, মা-বাবার পর ইসলামের ছায়ায় জার্মান কিশোরী মহানবীর (সা.) আদর্শ ছাড়া মানবতার মুক্তি আশা করা যায় না: মুনতাসির আলী দেশে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করতে চাই—ক্লিয়ার কাট কথা: শায়খে চরমোনাই ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার খবরে শীর্ষ আলেমদের উদ্বেগ বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী

যে কারণে জার্মানিতে বসবাস করছেন বিন লাদেনের দেহরক্ষী!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ওসামা বিন লাদেনের এক সময়ের দেহরক্ষী একজন তিউনিসিয়ার ব্যক্তি ১৯৯৭ সাল থেকে জার্মানিতে বাস করছেন। এমনকি ওই ব্যক্তি প্রতি মাসে এক হাজার ১৬৮ ইউরো কল্যাণভাতাও পান।

জার্মানির ডানপন্থী অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) সামি এ. নামের ওই ব্যক্তির ব্যাপারে জানতে চাওয়ার পর দেশটির একটি আঞ্চলিক সরকার এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে গোপনীয়তার কারণে ওই ব্যক্তির পুরো নাম প্রকাশ করেনি জার্মানির মিডিয়া। সামি জিহাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কিন্তু তাকে তিউনিসিয়ায়ও ফেরত পাঠানো হয়নি এই ভয়ে যে সামি সেখানে গেলে নির্যাতিত হতে পারেন।

সামি ২০০০ সালে আফগানিস্তানে বিন লাদেনের দেহরক্ষী ছিলেন। এ ঘটনায় ২০০৫ সালে জার্মানির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত সামিকে কয়েক মাসের জেল দেয়। সামি এ অভিযোগ অস্বীকার করলেও সাক্ষীদের জবানবন্দির ভিত্তিতে তাকে জেল দেন আদালত।

পরে ২০০৬ সালে আল-কায়েদা সম্পৃক্ততার কারণে সামি এ. আবার তদন্ত কর্মকর্তাদের রাডারে আসেন। তবে তখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়নি।

এদিকে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ২০০৭ সালে তার রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সামিকে প্রতিদিন একটি পুলিশ স্টেশনে রিপোর্ট করতে হয়।

জার্মান সরকারের তথ্য অনুযায়ী সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা উত্তর আফ্রিকায় নির্যাতনের শিকার হন। তাই তিউনিসিয়া ও তার আরব প্রতিবেশী দেশগুলোতে অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে নিরাপদ মনে করে না জার্মানি।

এইচজে

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ