বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮


সু চি’র মন্ত্রীর সঙ্গে পাঁচ বিষয়ে জোর দেবে বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা জন্য ঢাকায় পৌঁছেন মিয়ানমারের মন্ত্রী তিন্ত সোয়ে৷ সোমবার দুপুরে তিনি বৈঠক করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে৷ আর এই বৈঠকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া সহ পাঁচটি বিষয়ে জোর দেবে বাংলাদেশ৷

সোয়ের নেতৃত্বে মোট তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল রবিবার দিবাগত রাত ১২ টার পর ঢাকায় আসছেন৷

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর সু চি'র অফিসের ইউনিয়ন মন্ত্রী টিন্ট সোয়ে মিয়ানমারের একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক এবং রাখাইন বিষয় দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত৷ তিনি একজন পেশাদার কূটনীতিক এবং ১০ বছর ধরে জাতিসংঘে মিয়ানমারের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন৷

কূটনৈতিক বিষয়ক সিনিয়র সাংবাদিক শেখ শাহরিয়ার জামান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সোমবার সকাল ১১ টায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মিয়ানমারের মন্ত্রী টিন্ট সোয়ে'র বৈঠক৷ বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র সচিবসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন৷ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশে না থাকায় তার সঙ্গে বৈঠক হচ্ছে না৷''

তিনি আরেক প্রশ্নের উত্তর বলেন, ‘‘বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঁচটি বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া হবে৷

অবিলম্বে রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ করা, মানবিক সহায়তা, সেফ জোন, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া এবং কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন৷ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই পাঁচটি প্রস্তাবই তুলে ধরেছেন৷ কিন্তু দ্বিপক্ষীয় হিসেবে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া এবং কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নই গুরুত্ব পাবে সবচেয়ে বেশি৷ অন্যান্য বিষয়ে আরো অনেক পক্ষ জড়িত৷''

এদিকে, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সংবাদ মাধ্যমে গত সপ্তাহে বলেছেন, ‘‘মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হবে৷'' তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি৷ জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে একটি রূপরেখা তৈরি করেছে বাংলাদেশ৷ বৈঠকে ওই রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করবে বাংলাদেশ৷

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বর্তমান অবস্থায় মিয়ানমারের মন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ঢাকা সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে৷ কিন্তু কিভাবে? বাংলাদেশে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় মিয়ানমারকে অবস্থান পরিস্কার করতে পারবে৷ আর এর ফলে সমস্যা নিয়ে মিয়ানমারের মনোভা