সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্রে ক্ষতবিক্ষত সৌদির বহু শহর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

লম্বা দাড়িওয়ালা এক সৌদি পুরুষ। নাম জাবের। নাজরান শহরে তার ধ্বংসপ্রায় বাড়িটির সামনে দাঁড়িয়ে দেখাচ্ছিলেন প্রতিবেশী ইয়েমেন থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র কিভাবে তার বাড়িটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, "গতকাল বিকেলে ইয়েমেনের দিক থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। আমার পরিবারের লোকজন বাড়িতেই ছিলো। আল্লাহর রহমতে তারা বেঁচে গেছেন।"

"এই বাড়িতে বাস করে পাঁচটি পরিবার। সেখানে নারী আছে, শিশু আছে, আছে বৃদ্ধ মানুষও। তারা কি অপরাধ করেছে যে তাদের ওপর এমন হামলা হলো?" প্রশ্ন করেন জাবের।

এর কিছুক্ষণ পরেই ওই এলাকায় আরো সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র এসে আঘাত হানে। এতে দু'জন নিহত হয়। আহত হয় আরো অনেকে।

ইয়েমেন থেকে ছোঁড়া রকেটে সৌদি গ্রামে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে

সৌদি আরবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্তের ওপারে ইয়েমেন থেকে শিয়া হুতিরা নির্বিচারে এসব গুলি চালাচ্ছে।

যুদ্ধে সৌদি আরব

রাজধানী রিয়াদের শান্তিপূর্ণ রাস্তায় এই যুদ্ধের কোন আঁচ পাওয়া যায় না। কিন্তু তার কয়েকশো মাইল দক্ষিণে, যেখানে গৃহযুদ্ধের কারণে প্রতিবেশী ইয়েমেন লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে, সীমান্ত ছাপিয়ে সেই যুদ্ধের ঢেউ এসে পড়ছে সৌদি আরবের কয়েকটি শহর এবং গ্রামাঞ্চলেও।

সৌদি কর্মকর্তারা বলছেন, ইয়েমেনের যুদ্ধে তাদের পাঁচশোর মতো নাগরিক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরো বহু মানুষ।

কিন্তু ইসলামের পবিত্র বহু স্থাপনার ভূমি হিসেবে পরিচিত এবং তেল সম্পদে সমৃদ্ধ শান্তিপূর্ণ এই দেশটিতে যখন যুদ্ধের ছায়া এসে পড়ছে তখন দেশটির জনগণ চিন্তিত হয়ে পড়ছেন।

ধ্বংস হয়েছে স্কুল, মসজিদ

ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সৌদি আরবের খাওবার গ্রামে মেয়েদের একটি স্কুল ধ্বংস হয়ে গেছে।

হুতি রকেট সৌদি মসজিদে আঘাত করলে অনেকে আহত হয়েছেন

ওই স্কুলটিতে গিয়ে দেখা গেছে শ্রেণি কক্ষগুলো ভেঙে চুরমার, ঘড়ি পড়ে আছে মাটিতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি যখন আঘাত হানে ঠিক সেই সময়ে এসে ঘড়ির কাটা দুটো থেমে গেছে।

বিবিসির সাংবাদিক ফ্রাঙ্ক গার্ডনার সৌদি আরবে ইয়েমেন থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত কয়েকজন গ্রামবাসীর সাথেও কথা বলেছেন।

হুতিদের ছোঁড়া রকেট তাদà§