বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার ৬৬.৩%, সরকারের সার্বিক কর্মকাণ্ডে ৫৪.৫% কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে খেলাফত মজলিসের শোক ‘মাদরাসা ছাত্রদের ওপর পুলিশি হামলা বিগত ফ্যাসিবাদী আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয়’ দারুল আরকামের ছাত্রদের লাঠিচার্জের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মরুর বুকে সত্যবাদী কিশোর ‘রহমতের ধর্মে তোমাকে স্বাগতম’—রবার্তো কার্লোসকে কাবার ইমামের অভিনন্দন ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৭১ গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৬ টানা বৃষ্টিতে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘বাবুজ জাহির’ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত ১২ রবিউল আউয়াল উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ

থার্টি ফার্স্ট নাইট আমাদের কী দিয়েছে? দুধের শিশু উমায়েরের লাশ!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৈয়ব আহমেদ সিয়াম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়:

থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের নাম দিয়ে দেশজুড়ে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ বড়ো বড়ো শহরগুলোতে চলে প্রচুর পরিমাণে আতশবাজি। শব্দ দূষণের মাধ্যমে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে জনজীবন। ওড়ানো হচ্ছে লক্ষ লক্ষ ফানুশ৷ সেখান থেকে বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। সম্পদের অপব্যবহারের মাধ্যমে আমদানি করা হচ্ছে ভিন্ন সংস্কৃতি।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর ২০২৪) বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিটে রাজধানী ঢাকার মিরপুর সনি স্কয়ারে মাঝি মাল্লার দল নামক সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে থার্টি ফার্স্ট নাইটের অপসংস্কৃতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং অশ্লীলতার কথা তুলে ধরে মানববন্ধন করা হয়।

মাঝি মাল্লার দলের অ্যাক্টিভিস্ট ও ঢাকা কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী খিজির হায়াত বলেন, "থার্টি ফার্স্ট নাইট আমাদের কী দিয়েছে? দুধের শিশু উমায়েরের লাশ দিয়েছে৷ লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ পাখির তাজা প্রাণের সমাপ্তি দিয়েছে। হাসপাতালের রোগীদের অসহ্য যন্ত্রণা দিয়েছে। বাসাবাড়িতে, দোকানপাটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উপহার দিয়েছে। এভাবে পরিবেশ দূষণ করা কখনোই সুস্থ সংস্কৃতি হতে পারে না।"

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী ও মাঝি মাল্লার দলের অ্যাক্টিভিস্ট নাঈমুর রহমান বলেন, "বিনোদন কখনো এমন হতে পারে না। অশ্লীলতা-বেহায়পনা কখনো বিনোদন হতে পারে না। মদ-গাঁজা-ইয়াবা ইত্যাদির মাধ্যমে নেশাগ্রস্ত হয়ে উদযাপন কখনো সমাজ ও দেশকে সুস্থ বিনোদনের দিকে নিতে পারে না। যাদের বিনোদনকে অনুসরণ করে এসব করা হচ্ছে, সেসব পশ্চিমাদের দেশেই ধর্ষণ ও সুইসাইডের হার সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ইসলামও আমাদের বিনোদনের জন্য দুটি ঈদ রেখেছে। কায়িক শ্রম হয় এমন খেলাধুলা ও ব্যায়ামকে ইসলাম বৈধতা দিয়েছে। আমাদের অবশ্যই এসব হালাল বিনোদনের দিকে ফিরে যেতে হবে। নয়তো এভাবে চলতে থাকলে, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম নৈতিকভাবে অধঃপতনের চূড়ান্তে পৌঁছাবে।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ