সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুপুরে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন ইশরাক হোসেন এবারও শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে মাসিক নকীব, লেখা আহ্বান রাহাতের মুফতি হওয়ার স্বপ্নের পাশে গাজীপুর জেলা পরিষদ সুন্দর দেশ গড়তে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের চলে যাওয়ার ৫২ বছর আজ উত্তর প্রদেশে মুসলিম সাংবাদিককে পিটিয়ে হত্যা শাহজালালে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, দুর্ভোগে ১৮ হাজারের বেশি যাত্রী  আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ইসলাহী ইজতেমা ৩০ অক্টোবর মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের এতিম সন্তানদের পাশে আস-সুন্নাহ, দিলো বড় অনুদান সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা 

ড. ইউনূসের কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি-গাড়ি নেই : প্রেসসচিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিজের কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নেই, এমনকি তার নামে কোনো গাড়িও নেই। 

সোমবার (১২ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম এসব কথা জানান। 

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে প্রেসসচিব বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময় ড. ইউনূসের যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন বা সুবিধা পেয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তার মধ্যে কোনোটি কি ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত মালিকানায় আছে? তিনি এসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ধরনের আর্থিক বা ব্যক্তিগত সুবিধা নিচ্ছেন কি না—তা খতিয়ে দেখা দরকার।

তিনি বলেন, “শুধু ‘গ্রামীণ’ নামটা ড. ইউনূস দিয়েছেন বলে এসব প্রতিষ্ঠান তার হয়ে যায় না।

তার কোনো শেয়ার নেই, সম্পত্তি নেই—এটা কেউ প্রমাণ করতে পারলে দেখাক।”

তিনি আরো বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের পেছনে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না। বরং তিনি সবাইকে বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখার আহ্বান জানান।

গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে এই সংস্থাটি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে।

তখন ড. ইউনূস সৌদি আরবে ছিলেন এবং সেখানে একটি জার্মান-সৌদি হাসপাতাল চেইন তাকে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ নার্স ও হাসপাতালের কর্মী পাঠানোর অনুরোধ জানায়। তারা চেয়েছিল ইউনূসের মাধ্যমে কর্মী আনতে, কারণ এতে খরচ কম হবে। সেই সময় শেখ হাসিনার সরকার এর অনুমোদন দেয়নি। এখন যদি ২০২৪ সালের পরে অনুমোদন দেওয়া হয়, তাহলে এতে সমস্যা কোথায়? বাংলাদেশে এমন প্রায় সাড়ে তিন হাজার রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি আছে।

গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০১২-১৪ সালের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং ২০১৪ সালে পূর্বাচলে ২০০-৩০০ বিঘা জমিও কেনা হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আবেদন গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাত। তারা বলত, অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত সব কিছু যাচাই-বাছাই করে গত ৬ মাস ধরে অডিট শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 

এ সময় অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সহ-সভাপতি গাজী আনোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ