শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিবের উদ্বেগ ‘ইসলামি কার্যক্রমে বড় শঙ্কা ইখলাসের ঘাটতি ও আত্মশুদ্ধির অভাব’ ট্রান্সজেন্ডার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় নিবন্ধনের বিশেষ সুযোগ মসজিদে নববীতে নারীদের ইসলামি আলোচনার স্থান নির্ধারিত আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চাই না: শায়খে চরমোনাই ‘ট্রান্সজেন্ডার’ নিয়ে বক্তব্যে তোপের মুখে শিক্ষামন্ত্রী, দিলেন ব্যাখ্যা আওয়ার ইসলামের জাতীয় সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেন দুই সহস্রাধিক প্রতিযোগী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট: ইসলামী আন্দোলন আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক পুনর্জাগরণে গড়ে উঠতে পারে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র: ড. খালিদ হোসেন

গজল বা নাশিদে বাজনা থাকলে সেটা কি শোনা যাবে


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: ইন্টারনেট

বর্তমানে গজল বা নাশীদকে ইসলামী সংগীত বলা হয় এবং এই ইসলামী সংগীতের নামে অনেক শিল্পী সেই সংগীতে মিউজিক ব্যবহার করে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অনেক পরিচিত মুখ রয়েছে। এই ব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী?

উত্তর-
বাদ্য-বাজনা শোনা নাজায়েয। তাই হামদ-নাতের সাথে বাদ্য-বাজনা থাকলে ঐ হামদ-নাত শোনা জায়েয হবে না। এছাড়া হামদ-নাত, গজলের সাথে এটা যুক্ত করা বেয়াদবিও বটে। তাই এ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। তবে হামদ-নাত, গজল যদি সম্পূর্ণ বাজনা ও মিউজিক মুক্ত হয় এবং তার কথা যদি সহীহ হয়, শরীয়তের কোনো আকীদা বা নির্দেশের পরিপন্থী না হয় তাহলে তা বলা ও শোনা জায়েয।

উল্লেখ্য যে, যারা হামদ-নাত বা ইসলামী ধাঁচের গজল পরিবেশন করবে তাদের দায়িত্ব হল এতে স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা এবং গানের সুরে তা না বলা। তদ্রূপ এসব ক্ষেত্রে অন্যদের পরিভাষা যেমন কনসার্ট, গান ইত্যাদি শব্দও পরিহার করা উচিত।

-সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৫৯০; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৩৬৮৫; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস ৬৯০৮; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৩৪৫; ফাতহুল কাদীর ৬/৪৮১; আলবাহরুর রায়েক ৭/৮৮; ইসলাম আওর মূসিকী, মুফতী মুহাম্মাদ শফী রাহ.

সূত্র: মাসিক আল কাউসার, রবিউল আউয়াল, ১৪৪০ হিজরি

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ