বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬ ।। ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৫ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
 ‘সরকারি কাজে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না’  ‘কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা খাতই হবে প্রধান চালিকাশক্তি’ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কে এই মোজতবা? ইসলামী আন্দোলনের কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, সুষ্ঠু বিচার দাবি খেলাফত মজলিস নড়াইল জেলা শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইরাকে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমীরে মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনলাইনে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট পেতে ৩০ মিনিটে ২০ লাখ হিট ইরানের সাবমেরিন-সহ ১৭টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা কে এই মোজতবা?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি দেশটির পরবর্তী সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংবাদ মাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বস্ত সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) বিপ্লবী বাহিনীর (রেভল্যুশনারি গার্ডস) চাপের মুখে আলী খামেনির ছেলে মোজতবাকে পরবর্তী সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে।

সিএনএনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনির দ্বিতীয় ছেলে মোজতবা পর্দার আড়ালে ব্যাপক প্রভাব খাটানোর জন্য পরিচিত। দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও তাদের স্বেচ্ছাসেবী আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ’-এর সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

তার সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পথে বাধার কথা জানিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, শিয়া মুসলিম আলেম সমাজ, বিশেষ করে বিপ্লবোত্তর ইরানে বাবা থেকে ছেলের উত্তরাধিকারকে বাঁকা চোখে দেখে। কারণ দেশটি একটি রাজতন্ত্রকে উৎখাতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আরেকটি বাধা হলো, মোজতবা কোনো উচ্চপদস্থ আলেম নন এবং প্রশাসনে তার কোনো দাপ্তরিক ভূমিকা নেই। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

প্রায় চার দশক ধরে শক্তহাতে দেশ শাসন করা অভিজ্ঞ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির আনুষ্ঠানিক কোনো উত্তরাধিকারী ঘোষণা করা ছিল না। যে কারণে ৮৮ জন জ্যেষ্ঠ আলেমের সমন্বয়ে গঠিত অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস বা বিশেষজ্ঞ পরিষদের ওপর পরবর্তী নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব পড়ে।

১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর আগে কেবল একবারই এই পরিষদ এমন দায়িত্ব পালন করেছিল। তখন তিন দশকেরও বেশি সময় আগে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে নির্বাচিত করা হয়েছিল।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ