রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় শুনানি কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভে নানাজন নানারকম বিচার দাবি করেন। কারো দাবি আসামি সোহেলকে বাঘের খাঁচায় ছেড়ে দেওয়া হোক, কেউ বলছেন তাকে আদালত প্রাঙ্গনের বটগাছে ঝুলিয়ে পাথর মেরে হত্যা করা হোক।
রোববার (৭ মে) সকালে মহানগর দায়রা জজ কোর্ট প্রাঙ্গনে সাংবাদিকদের সামনে জনসাধারণ এসব দাবি জানান।
বিক্ষোভে জাহাঙ্গীর হোসেন নামের একজন বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, জালিম সোহেলকে এই কোর্ট প্রাঙ্গণের বট গাছে ঝুলিয়ে পাথর নিক্ষেপ করে জনসম্মুখে হত্যা করা হোক। যাতে করে হত্যার এই চিত্র যেন বিশ্ববাসী দেখুক, যাতে করে আর এমন নির্মম ও পৈশাচিক কাজ না করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আমরা চাই রাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ নেক, যাতে করে আর কোনো মায়ের কোল খালি না হয়। আমি চাই এক সপ্তাহের মধ্যে যেন হত্যাকারীদের রায় কার্যকর করা হোক।
মিরপুর থেকে আসা মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, সোহেলের ফাঁসি হওয়া উচিত। আর রায় ঘোষণার পরপরই আজকে যেন রায় কার্যকর করা হয়। এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন হোক, কেউ যেন আর এমন বর্বর কাজ না করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা সোহেলকে চিড়িয়াখানার বাঘের খাঁচায় ছেড়ে দিন। এতে করে আপনাদেরও লাভ হবে। ওকে যখন বাঘ ছিঁড়ে-কামড়ে কামড়ে খাবে দেখতে টাকা দিয়ে যাবে। এতে সরকারের লাখ লাখ টাকা আয় হবে।’
এর আগে এদিন সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচিত মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
জেডএম/
