শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিশ্বের সেরা ও সবচেয়ে মধুর তেল যুক্তরাষ্ট্রের, দাবি ট্রাম্পের ইরানের জব্দ করা সম্পদ ফেরত দিতে অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্মীপুরে অটোচালক হত্যায় গ্রেফতার ৩ যুবক  অবশেষে ইসলামাবাদে আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘অন্যায়-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিলে পার্লামেন্টে মারামারি শুরু হবে’ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হামলায় বিকৃত হয়ে গেছে মোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল! হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে?

হামাসকে গাজা শাসন ও অস্ত্রত্যাগের আহ্বান আরব বিশ্বের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসকে গাজার শাসন ছেড়ে দেওয়া এবং অস্ত্র পরিত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও মিশরসহ আরব বিশ্বের ১৭টি দেশ। জাতিসংঘের উদ্যোগে নিউইয়র্কে ফিলিস্তিন বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গৃহীত যৌথ ঘোষণাপত্রে এ আহ্বান জানানো হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আরব লীগও এ বিবৃতিকে সমর্থন জানিয়েছে।

দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত তিনদিনব্যাপী এই সম্মেলনে ফ্রান্স ও সৌদি আরব নেতৃত্ব দেয়। দ্বিতীয় দিনে (২৯ জুলাই) সম্মেলন থেকে এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। এতে কাতার, সৌদি আরব, মিশর, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডাসহ মোট ১৭টি দেশ স্বাক্ষর করে।

ঘোষণাপত্রে হামাসকে গাজার শাসন থেকে সরে দাঁড়ানো এবং অস্ত্র পরিত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়, যাতে গাজা ও পশ্চিম তীরকে একীভূত করে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের (পিএ) অধীনে আনা যায়।

এর পরপরই ফ্রান্সের নেতৃত্বে আরেকটি বিবৃতি প্রকাশিত হয়, যেখানে ১৫টি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক অবস্থান জানায়।

তবে পশ্চিমা বিশ্বের এই উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ একে ‘হামাসকে উৎসাহ দেওয়া’ উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের স্বীকৃতি হামাসকে আরও কঠোর করে তুলবে এবং জিম্মি মুক্তিতে বিলম্ব ঘটাবে।

এদিকে, গাজার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গত একদিনেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৮০ জন ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে ৭১ জন ত্রাণ সংগ্রহে গিয়েছিলেন।

হামাস এক বিবৃতিতে এই অবস্থাকে ‘ধীরগতির গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে, “ইসরাইল খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে এবং ত্রাণকে পরিণত করেছে লুটপাট ও বিশৃঙ্খলার হাতিয়ারে।”

চাপের মুখে ইসরাইল গাজার কিছু অঞ্চলে দিনে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় এবং ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দেয়। তবে বাস্তবে ত্রাণ সরবরাহ অপ্রতুল এবং অধিকাংশ বাসিন্দা এখনো খাবার থেকে বঞ্চিত।

জাতিসংঘ বলেছে, ইতোমধ্যে ভয়াবহ পুষ্টিহীনতা ও খাদ্য ঘাটতির প্রমাণ মিলেছে। তারা জানিয়েছে, যদি অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যায়, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দুর্ভিক্ষ’ ঘোষণা করা হবে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ