বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজা বসবাসের অযোগ্য : জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

ইহুদিবাদী ইসরায়েলের চলমান ভয়াবহ আগ্রাসনে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা ‘বসবাসের অযোগ্য’ হয়ে পড়েছে বলে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ। 

বিশ্ব সংস্থাটি বলেছে, ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা এতটা বেশে যে এই উপত্যকাকে আবার বাসযোগ্য করতে হাজার হাজার কোটি ডলার অর্থ এবং কয়েক দশক সময় লাগবে।

জাতিসংঘের ‘কনফারেন্স অন ট্রেড এন্ড ডেভেলপমেন্ট’ সংস্থা বা আঙ্কটাড বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে এ তথ্য জানিয়েছে। 

প্রায় চার মাস আগে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ওপর ইসরায়েলের গণহত্যা অভিযানের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা শেষে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে আঙ্কটাড।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজার শতকরা ৮৫ ভাগ অধিবাসী তাদের সহায় সম্বল হারিয়েছে এবং উপত্যকার অর্থনৈতিক কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছ। ফলে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এই উপত্যকার দারিদ্র ও বেকারত্ব পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

আঙ্কটাডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে বেকারত্বের হার ৭৯.৩ শতাংশে পৌঁছেছে এবং জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত উপত্যকার ৩৭ হাজার ৩৭৯টি ভবন আংশিক বা পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকার মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক শিশু। তাদের মাথা গোঁজার ঠাই এখন নেই বললেই চলে। মানুষের কোনো আয়ের উৎস নেই এবং তাদের খাবার, পানি, পয়োঃনিষ্কাশন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। 

আঙ্কটাডের প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকার আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে কয়েক দশক সময় লাগবে এবং তাও নির্ভর করছে পুরোপুরি বিদেশি সাহায্যের ওপর। 

সূত্র : ব্যারনস।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ