কুড়িগ্রাম, চুয়াডাঙ্গা ও কিশোরগঞ্জে শীতের প্রকোপ অত্যন্ত তীব্র। সারা দেশের পাশাপাশি শীতপ্রবণ এই তিন জেলায় বিশেষভাবে শীত-সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন।
সংস্থাটির চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, কুড়িগ্রামের ৫টি স্পটে ২৫০ প্যাকেজ শাল-হুডি, ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১,৩৫০ মোজা-টুপি, ১টি স্পটে ৫০ প্যাকেজ খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম চলছে।
এছাড়া এই জেলার হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফিল্টার দেয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলার ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬৫০ মোজা-টুপি, ২টি স্পটে ১০০ প্যাকেজ শাল-হুডি, ১টি স্পটে ৫০ প্যাকেজ খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে।
এখানকার হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও দেওয়া হচ্ছে গরম পানির ফিল্টার।
কিশোরগঞ্জের ৫টি স্পটে ২৫০ প্যাকেজ শাল-হুডি, ২টি স্পটে ১০০ প্যাকেজ খাদ্য, ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১,৯০০ মোজা-টুপি বিতরণ কার্যক্রম চলছে।
এছাড়া এই জেলার হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিল্টার দেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, এবারের শীতে সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫০ হাজার টুপি-মোজা এবং শীতপ্রধান অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ১০ হাজার শাল-হুডি বিতরণ করা হচ্ছে।
সেই সাথে মাদরাসা ও হাসপাতালে ২০০ পানির ফিল্টার বিতরণের কাজ চলমান আছে।
শৈত্যপ্রবাহে শীত-প্রধান অঞ্চলের কর্মহারা মানুষের মাঝে ২২.৫ টন জরুরি খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। খাবার প্যাকেজের ভেতর রয়েছে : ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল এবং ৫০০ গ্রাম লবণ।
এনএইচ/