শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
এক ক্লিকেই স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে সাইবার অপরাধীরা করপোরেট নেতৃত্বে নববী আদর্শ: কয়েকটি নমুনা ইরানে ৪৩তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা জানুয়ারিতে কওমি মাদরাসা অনাবাসিক হলে বিপন্ন হবে গরিব তালিবে ইলমরা আহলে হকের রাজনীতিতে গালি নয়, চাই সংলাপ ও ইহতিরাম নিলামে কেনা সম্পত্তিতে ভ্যাট না দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের এবার হোয়াটসঅ্যাপেই পরিশোধ করা যাবে বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ সব বিল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ৩ সংগঠনের আদর্শ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় নয়: ছাত্র জমিয়ত সভাপতি নাঙ্গলকোটের ব্যতিক্রমী সীরাত মাহফিল ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আহলে হকের রাজনীতিতে গালি নয়, চাই সংলাপ ও ইহতিরাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

|| মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ ||

আমি নিজে সরাসরি কোন রাজনীতি করি না। কারণ, লেখাপড়া দারস-তাদরিসসহ অনেক দায়িত্ব আমার ওপর অর্পিত। দেশ-বিদেশে এসব দায়িত্ব পালন করে রাজনীতি করার সময় হাতে থাকে না। তবে রাজনীতি পর্যবেক্ষণ করি এবং এটাকে দীনের গুরুত্বপূর্ণ কাজও মনে করি । আলহামদুলিল্লাহ। 
আমার অনলাইনে লেখালেখির অভ্যাস মোটেই নেই। আমি তেমন বুঝিও না। 

বর্তমানে আহলে হক উলামাদের রাজনীতি বাহ্যিক দুই ধারায় বিভক্ত। মাসআলাটি অনেক অংশেই ইজতিহাদী, তাই এতে সঠিক-বেঠিক থাকবে। এতে কোন ধারা সঠিক, কার ইজতিহাদ বেঠিক সেই আলোচনা করবো না। তবে উভয় ধারার দূরত্ব কমানোর জন্য নিজের খুদ্র অবস্থান থেকে সাধ্য মত চেষ্টা করা এটা আমার সব সমেয়ের মিশন। যা উভয় ধারার শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম ভাল করেই জানেন।

হাঁ, একটা বিষয়ে সব আহলে হক একমত যে, উলামায়ে দেওবন্দ, বাতিল আকীদা পন্থিদের অন্তর্ভুক্ত হওয়াকে কোনক্রমেই মেনে নিবে না। 
তবে হাকীমুল উম্মাত থানভী বলে গেছেন: 
“ اھل حق کبھی گمراہ نہیں ہوسکتے البتہ حب جاہ اور حب مال میں گرفتار ہوسکتا ہے”
আমি যে কথাটা বলার জন্য কলম ধরেছি তা হলো: আহলে হক কোন শীর্ষ আলেমের দ্বারা মাওলানা মামুনুল হকের মত ব্যক্তিকে অশ্লীল ভাষায় “ কুলাঙ্গার” বলে গালি দেয়া, এটা কোন ধরনের ইসলামী রাজনীতি? শরীয়তের কোন ধারায় পড়ে? আমার জানা নেই। 

নবী রাসুলগণ কাফেরকেও তো গালি দেন নি। 
يا قومي ما بي سفاهة
বলেই গালির জবাব দিয়েছেন। তাহলে এই রাজনীতি কি আসলে ইসলামী রাজনীতি? এটাই আজকে অনেকের প্রশ্ন: 

আমরা কি পারি না মাওলানা মামুনুল হকের সাথে তার ভুল গুলো নিয়ে আলোচনায় বসতে? শরয়ী দলীল প্রমাণ তার সামনে উপস্থাপন করতে? 

কেউ কেউ বলবেন অনেক বৈঠক হয়ে গেছে কাজ হয় নাই। কিন্ত আমাদের দায়িত্ব কি শেষ? এই মেহনত চালিয়ে যাওয়া উচিত নয় কি? তাহলে কি সেমিনারে গালি দেয়ার পথটাই এক মাত্র খোলা রয়েছে।আর সব দরজা বন্ধ? এটাই কি ইসলামের শিক্ষা? 
আল্লামা ওলীপুরী দা: বা: সহ শীর্ষ মুরুব্বিগণ, মাওলানা মামুনুল হকের শীর্ষ মুরুবাবিদর সাথে বসা উচিত নয় কি?

বিষয়টি ভেবে দেখুন। আল্লাহর ওয়াস্তে একে অপরকে ইহতিরাম ও মুহাব্বতের ভাষা প্রয়োগ করুন, থামুন আসলাফ ও আকাবিরদের শেখানো পথে হাটুন। আমার কথায় কেউ কষ্ট পেলে মাফ চাই, ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। জাযাকুমুল্লাহ। 

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার ঢাকা

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ