সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

কে হচ্ছেন নতুন ধর্মমন্ত্রী?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

||বিশেষ প্রতিনিধি|| 

ভূমিধস বিজয় পেয়েছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান হচ্ছেন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) যাত্রা করতে যাচ্ছে নতুন সরকার। মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন সেটা নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। এর মধ্যে ইসলামপন্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রসঙ্গটি। কে আসছেন এই মন্ত্রণালয়ে সেটা নিয়ে রয়েছে কৌতূহল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মতো তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারও কোনো আলেমকে এই পদে বসাচ্ছে কি না সেটা নিয়েও রয়েছে আলোচনা। 

মন্ত্রিসভায় কে বা কারা স্থান পাবে সেটা নির্ধারণের সম্পূর্ণ এখতিয়ার তারেক রহমানের। যেহেতু বিএনপি একাই দুই তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে সেজন্য এককভাবে বিএনপি-প্রধানই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন সব।

ইতোমধ্যে হবু প্রধানমন্ত্রী দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। মন্ত্রিসভার প্রকৃতি কী হবে, কারা কারা স্থান পেতে পারেন, সেসব বিষয় অনেকটা চূড়ান্ত হওয়ার পথে। শেষ মুহূর্তে কিছু পরিবর্তন-পরিবর্ধন আসতে পারে। 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে আসতে পারেন সে ব্যাপারে সর্বপ্রথম যে নামটি রয়েছে তিনি হলেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। দীর্ঘদিন বিদেশে নির্বাসন থেকে ফিরে কুমিল্লা-৩ আসন থেকে তিনি ষষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়টি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যিনি থাকেন তাকে নানা ইস্যুতে ইসলামপন্থীদের সঙ্গে সরকারের সমন্বয় করতে হয়। এই কাজে অনেকটা পারদর্শী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। আলেম-উলামা ও দীনদার মানুষদের সঙ্গে তার বিশেষ সংযোগ রয়েছে। এ হিসেবে তিনি ধর্মমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় অনেকটা এগিয়ে আছেন। শেষ পর্যন্ত ধর্মমন্ত্রী অন্য কেউ হলেও তিনি মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন। এক্ষেত্রে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। 

কায়কোবাদ না হলেও বিএনপি দলীয় অন্য কেউও হতে পারেন ধর্মমন্ত্রী। আবার বিএনপির শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুকের আলোচনাও আছে কোনো কোনো মহলে। তবে বিএনপির মন্ত্রিসভায় কোনো আলেম না থাকার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ