বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈদের দিনে পরীক্ষা: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ জামাত, মুসল্লির সংখ্যা ৫! থেমে নেই ইসরায়েলি বিমান হামলা: নিহত আরও দুই ফিলিস্তিনি শরীয়তের আলোকে ঈদুল আজহার দিনের করণীয় ও বর্জনীয় ঈদ স্পেশাল গরুর গোশত রান্না করুন সহজেই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন

মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ ও নির্যাতনের দৃশ্য নাটকে, আসামে ক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের আসাম রাজ্যে মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ ও মারধরের দৃশ্য দেখানো একটি নাটক ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ক্ষমতাসীন বিজেপির ঘনিষ্ঠ একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এ নাটক মঞ্চস্থ করা হয়, যেখানে মুসলিম সম্প্রদায়কে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নাটকে একটি মুসলিম পরিবারকে ঘর থেকে উচ্ছেদ, হেনস্তা ও মারধরের দৃশ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। এ নিয়ে মানবাধিকারকর্মী, শিক্ষাবিদ ও মুসলিম সংগঠনগুলো তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

সমালোচকদের দাবি, এ ধরনের নাটক সাম্প্রদায়িক বিভাজন উসকে দিতে পারে এবং সংখ্যালঘু মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করছে। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে এমন উপস্থাপনা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কেরালার ভোটে মুসলিমদের দলের বড় উত্থান

আরও পড়ুন: ‘আমার জয় হিন্দুত্ববাদের জয়, মুসলিমরা মমতাকে ভোট দিয়েছে’

অন্যদিকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, নাটকটি কোনো সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে নয়; বরং এটি অবৈধ দখল ও প্রশাসনিক অভিযানের একটি ‘নাট্যরূপ’ মাত্র। তবে এই ব্যাখ্যা নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক আরও বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আসামে নাগরিকত্ব, ভূমি উচ্ছেদ ও অভিবাসন ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়কে ঘিরে বিভিন্ন অভিযান ও বক্তব্য প্রায়ই জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দেয়।

এ ঘটনায় রাজ্যের বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, শিল্প ও সংস্কৃতির নামে কোনো সম্প্রদায়কে হেয় বা আতঙ্কিত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: মুসলিম মিরর

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ