সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়

মুসলমান পরিচয়ে গর্বিত বলিউড অভিনেতা আমির খান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আমির খান বলেছেন, মুসলমান হিসেবে যেমন তিনি গর্বিত, তেমনি ভারতীয় হিসেবেও তাঁর গর্ব রয়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস ও জাতীয় পরিচয়ের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই বলেও নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেছেন তিনি।

ভারতীয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘আপ কি আদালত’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ধর্ম, ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে কথা বলেন আমির খান। এ সময় বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।

আমির খানের বক্তব্যের মূল প্রতিপাদ্য হলো, ধর্মীয় পরিচয় ও জাতীয় পরিচয়কে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। একজন মানুষ একই সঙ্গে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি অনুগত এবং দেশের প্রতি গর্বিত হতে পারেন। এ দুটি পরিচয়ই তিনি সমান মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে ধারণ করতে পারেন।

ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের বিতর্ক ও মতপার্থক্যের মধ্যে আমির খানের এ বক্তব্যে সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, ভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে একে অপরের বিশ্বাস ও পরিচয়ের প্রতি সম্মান দেখানো জরুরি।

ভারতের বহুধর্মীয় ও বহুসাংস্কৃতিক সমাজে ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং জাতীয় ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তির ধর্মীয় বিশ্বাসকে সম্মান করার পাশাপাশি তাঁর নাগরিক পরিচয়কেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আমির খানের বক্তব্যে এই দুই পরিচয়ের সহাবস্থানের বিষয়টিই প্রতিফলিত হয়েছে।

ধর্মীয় বিশ্বাস ও দেশপ্রেমকে পরস্পরের বিপরীতে না দাঁড় করিয়ে উভয় পরিচয়ের প্রতি সম্মান বজায় রাখার যে বার্তা তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে, তা বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি জোরদারের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ