সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয়

দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামার মুহতামিমের জানাজায় লাখো মুসল্লি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের লখনৌয়ের ঐতিহ্যবাহী দীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামায় প্রতিষ্ঠানটির মুহতামিম মাওলানা ড. সাইদুর রহমান আজমির জানাজার নামাজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গভীর শোক ও বেদনাবিধুর পরিবেশে অনুষ্ঠিত জানাজায় আলেম-উলামা, ইমাম, শিক্ষার্থী, মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ লাখো মুসল্লি অংশ নেন।

প্রিয় এই আলেমকে শেষ বিদায় জানাতে আসা মানুষের অনেকের চোখ ছিল অশ্রুসিক্ত। পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের আবহ। জানাজায় অংশ নেওয়া মুসল্লিদের কণ্ঠে মরহুমের জন্য মাগফিরাত ও মর্যাদা বৃদ্ধির দোয়া শোনা যায়।

এ সময় আলেম-উলামা ও সাধারণ মুসল্লিরা তাঁর দ্বীনি ও ইলমি অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। জানাজা শেষে মরহুমের জন্য দোয়া করা হয়।

ড. মাওলানা সাইদুর রহমান আজমি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি গতকাল বুধবার বিকেলে ইন্তেকাল করেন।

মাওলানা ড. সাঈদুর রহমান আজমী নদভী রহ. ছিলেন দারুল উলুম নাদওয়াতুল উলামার দীর্ঘদিনের মুহতামিম এবং সমকালীন বিশ্বের অন্যতম খ্যাতিমান আলেম ও শিক্ষাবিদ। তিনি আন্দোলনে নাদওয়ার ঐতিহ্য ও আদর্শের বিশ্বস্ত ধারক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি নাদওয়াতুল উলামার শিক্ষা, প্রশাসন ও দাওয়াহ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর জ্ঞান, প্রজ্ঞা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক পরিসরে বিস্তৃত যোগাযোগের মাধ্যমে নাদওয়াতুল উলামাকে একটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তিনি পাঁচ দশকেরও বেশি সময় নাদওয়ার মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন আরবি ভাষায় খুতবা ও বয়ান প্রদান করে প্রতিষ্ঠানটির ধর্মীয় ও ইলমি পরিবেশকে সমৃদ্ধ করেন। তাঁর জীবন ছিল সরলতা, শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, ইখলাস ও তাকওয়ার অনন্য সমন্বয়।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আলেম, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক ছিল। ইলম, দাওয়াহ, শিক্ষা ও দ্বীনি খেদমতে তাঁর দীর্ঘ অবদান তাঁকে সমকালীন আলেমসমাজে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান এনে দেয়। তাঁর ইন্তেকালে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইলমি ও দ্বীনি অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ