সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

ইসরায়েলি অস্ত্রের রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা মুসলিম দেশগুলো!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক সংঘাত ও সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই বিশ্ববাজারে ইসরায়েলি অস্ত্রের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে উঠে এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) নতুন এক বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।

‘দ্য ডিফেন্স ডিভিডেন্ড অব দ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ২০২০ সালে ৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ১৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ পাঁচ বছরে দেশটির অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১৩০ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম অ্যাকর্ডের অংশীদার মুসলিম দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কো ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা হয়ে উঠেছে।

আইআইএসএসের হিসাবে, ২০২০ সালে এই তিন দেশে ইসরায়েলের মোট প্রতিরক্ষা রপ্তানির অংশ প্রায় শূন্য থাকলেও ২০২১ সালে তা ৭ শতাংশে ওঠে। ২০২২ সালে তা বেড়ে ২৪ শতাংশে পৌঁছায়। ২০২৩ সালে ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার পর এ অংশ ৩ শতাংশে নেমে গেলেও ২০২৪ সালে ১২ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ১৫ শতাংশে উন্নীত হয়।

তিন দেশের মধ্যে ইসরায়েলি অস্ত্রের প্রধান ক্রেতা হিসেবে এগিয়ে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি ইসরায়েলের কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম, ড্রোন, নজরদারি ও গোয়েন্দা প্রযুক্তি সংগ্রহ করেছে।

এসবের মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান রাফালের স্পাইডার-এমআর মাঝারি পাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এলবিট সিস্টেমসের বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি এবং ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের (আইএআই) বারাক এলআরএডি ব্যবস্থা।

আইআইএসএস জানিয়েছে, দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শুধু অস্ত্র কেনাবেচায় সীমাবদ্ধ নেই। আমিরাতের এডজ গ্রুপ ইসরায়েলি কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে। পাশাপাশি দুই দেশের কোম্পানিগুলো ড্রোন প্রতিরোধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও নজরদারি প্রযুক্তি নিয়েও যৌথভাবে কাজ করছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আব্রাহাম অ্যাকর্ডের পর মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্পের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হয়েছে। মরক্কো ও বাহরাইনও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনেছে। তবে তাদের আমদানির পরিমাণ আমিরাতের তুলনায় কম।

মরক্কো ইসরায়েলের কাছ থেকে বারাক এমএক্স, ওয়ান্ডারবি ইউএভি, ওফেক-১৩ স্যাটেলাইট ও অ্যাটমোস-২০০০ আর্টিলারি ব্যবস্থা সংগ্রহ করেছে। অন্যদিকে বাহরাইন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি কেনার পাশাপাশি উপকূলীয় রাডার ব্যবস্থা সংগ্রহের চুক্তিও করেছে।

সূত্র: দ্য প্রিন্ট

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ