বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
তরুণ আলেমদের বিশেষ মিটআপে শায়খ ইলিয়াস গুম্মান তিন মাসে ওমরাহ পালন করেছেন দেড় কোটির বেশি মানুষ বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি সিলেটে হাম উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু বরুড়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিষদের উদ্যোগে সিরাত সম্মেলন ২৭ আগস্ট কলকাতায় আরও ২০০ হোটেল বন্ধের নোটিশ রুহামা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স আগামীকাল ‘সিরাতুন্নবীর আলোকে দেশ পরিচালনা করলেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ হবে’ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ‘মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি’

দারুল উলুম দেওবন্দের ‘বাবুজ জাহির’ ভাঙার সিদ্ধান্ত স্থগিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের ঐতিহ্যবাহী দীনি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের পরিচিত ও ঐতিহাসিক ভবন ‘বাবুজ জাহির’ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। ভবনটির সঙ্গে প্রাচীন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে থাকায় এটি ভাঙার নির্ধারিত সময় পিছিয়ে ২০২৭ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে।

দারুল উলুম দেওবন্দের দারুল ইকামার নাজিমে আলা (মহাপরিচালক/তত্ত্বাবধায়ক) আনোয়ার ইকবালের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি তারিখে প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাবুজ জাহির’ ভবনটি দীর্ঘদিনের পুরোনো ও জীর্ণ হয়ে পড়ায় তা ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে ভবনটির সঙ্গে দারুল উলুম দেওবন্দের অসংখ্য সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীর আবেগ, স্মৃতি ও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জড়িয়ে রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভবনটি ভেঙে ফেলার সময় আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রসিকতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে বলা হয়েছে, কোনো ফেসবুক লেখক বা কলমকারের মনে যেন পরে এ আফসোস না থাকে—‘বাবুজ জাহির তো ভেঙে গেল, আমি কেন এর ধ্বংসের আগে আমার স্মৃতিগুলো লিখে রাখলাম না!’

এ কারণে ‘বাবুজ জাহির’ ভাঙার নির্ধারিত সময় ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আরও বলা হয়েছে, যারা এখনো ভবনটি ঘিরে নিজেদের স্মৃতি ও আবেগ লিখে প্রকাশ করেননি, তারা যেন তাড়াহুড়ো না করেন। বরং পর্যাপ্ত সময় নিয়ে নিজেদের স্মৃতিগুলো সুন্দরভাবে গুছিয়ে লিখে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাবুজ জাহির’ এখনো বিদ্যমান। তাই এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিগুলো গুছিয়ে সংরক্ষণ করার জন্য সবার হাতে পর্যাপ্ত সময় রয়েছে।

প্রসঙ্গত, দারুল উলুম দেওবন্দের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা ও ভবনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও আলেমদের দীর্ঘদিনের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ