সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে আর কখনও রাতের ভোট হবে না: আলী রীয়াজ এবার খামেনির পক্ষে ইরানের রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ! কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড়

এবার নেতানিয়াহুর কারণে ডুবতে বসছে ইসরায়েল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রভাবশালী ইহুদি বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে দেশটি ক্রমেই আন্তর্জাতিক মহলে একঘরে হয়ে পড়ছে।
 
প্রবীণ বিশ্লেষক ফের্টার এক বক্তব্যে বলেন, “নেতানিয়াহুর কৌশলগত ব্যর্থতা এখন স্পষ্ট। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ডানপন্থী নেতাদের সমর্থনও দ্রুত কমে যাচ্ছে।”
 
ইউরোপের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ ইতোমধ্যেই কড়া অবস্থান নিচ্ছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ফ্রান্স, ব্রিটেন ও কানাডা এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র পর্যন্ত অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

ইসরায়েলের প্রভাবশালী দৈনিক 'মা’আরিভ'-এর বিশ্লেষক বেন ক্যাসপিট তার কলামে লিখেছেন, “নেতানিয়াহু এক অসম্ভব বিজয়ের পেছনে ছুটছেন এবং ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছেন।”

তিনি সতর্ক করে বলেন, “আমাদের ঐতিহ্যগত মিত্ররা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, বিশ্ব একের পর এক দরজা বন্ধ করছে, কিন্তু নেতানিয়াহু এখনও গাজার জনগণকে নির্মূল করার কল্পনায় বিভোর।”
 
এই সমালোচনাগুলো এমন এক সময়ে প্রকাশিত হলো, যখন ব্রিটেন গাজা ও পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে কয়েকজন জায়োনিস্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান মুক্ত বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত রেখেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর সরকারের কঠোর নীতির কারণে ইসরায়েল কূটনৈতিকভাবে চাপে পড়ছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এমন পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের অবস্থান আরও দুর্বল হতে পারে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ