বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ ।। ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আল-মারকাজুল ইসলামীতে ৯৬ প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে এনএসডিএ সনদ বিতরণ হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর ‘রাতারাতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করতে পারি না’  নবীজি (সা.) এর প্রতি ভালোবাসা আজ সন্ধ্যায় ‘মাহফিলে ইশকে নবী'র আয়োজন করছে জামিয়া কাসেম নানুতবী প্রতিবন্ধীদের জন্য মসজিদে নববীতে কুরআন হিফজের বিশেষ ব্যবস্থা ‘জীবনের সর্বাবস্থায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করতে হবে’ উত্তরায় খেলাফত মজলিসের ‘সীরাতে মুস্তফা (সা.)’ আলোচনা সভা নবীজির স্মৃতিবিজড়িত ১২ রবিউল আউয়াল আজ, পালিত হচ্ছে নানা আয়োজনে ইসলামে কোনটি জরুরি তা নির্ধারণ করা বিচারকদের কাজ নয়: ওয়াইসি

নবীজি (সা.) এর প্রতি ভালোবাসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

হে সেই মহান সত্তা, যাঁর অস্থি মাটির বুকে সমাহিত হয়েছে,

আপনার বরকতে মাটি ও পাহাড়ও হয়ে উঠেছে পবিত্র ও সুগন্ধময়।

যে কবর আপনাকে ধারণ করে আছে,

তার জন্য আমার প্রাণও উৎসর্গিত হোক;

সেখানে রয়েছে পবিত্রতা, দয়া, উদারতা ও মহত্ত্ব।

আপনি সেই প্রিয়তম, যার সুপারিশের আশা করা হয়,

যেদিন পুলসিরাতের পথে কারও পা হোঁচট খাবে।

আপনি না হলে সূর্য চন্দ্র কিছুই সৃষ্টি হতো না,

না আকাশ, না লওহ, না কলম।

আরশের অধিপতি আপনার ওপর রহমত বর্ষণ করুন,

যতবার সূর্য উদিত হয়, আর যতবার

পথহারা ও নিরাপদ মানুষ হয় আপনার প্রতি আকুল।

এই হৃদয়স্পর্শী পঙ্‌ক্তিগুলো এমন একটি কবিতা থেকে নেওয়া, যা ইমাম ইবন কাসীর তাঁর তাফসিরে সূরা আন নিসার ৬৪ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যার প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছেন।

আল্লাহ তা’আলা বলেন,

ولو أنهم إذ ظلموا أنفسهم جاءوك فاستغفروا الله واستغفر لهم الرسول لوجدوا الله توابا رحيما

“আর তারা যখন নিজেদের ওপর জুলুম করেছিল, তখন যদি তারা আপনার কাছে এসে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইত এবং রাসূলও যদি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতেন, তাহলে তারা অবশ্যই আল্লাহকে তাওবা কবুলকারী ও পরম দয়ালু হিসেবে পেত।”

একবার এক বেদুঈন রাসুল (সা.)-এর পবিত্র কবরের কাছে এসে বলল,

“হে আল্লাহর রাসুল! আমি একটি গুরুতর গুনাহ করে ফেলেছি। কিন্তু আমি আল্লাহর কিতাবে শুনেছি।”

এরপর সে উপরের আয়াতটি তিলাওয়াত করল এবং বলল,

“আমি এখানে এসেছি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে এবং আপনার কাছেও অনুরোধ করতে, আপনি যেন আমার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।”

এরপর সে সেই কবিতার পঙ্‌ক্তিগুলো আবৃত্তি করল, কাঁদল এবং সেখান থেকে চলে গেল।

আল উতবি নামের একজন ব্যক্তি ঘটনাটি দেখছিলেন। বেদুঈন চলে যাওয়ার পর তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন। স্বপ্নে তিনি রাসুল (সা.)-কে দেখলেন। তাঁকে বলা হলো, বেদুঈনের কাছে গিয়ে তাকে সুসংবাদ দিতে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।

এই ঘটনাটি নিয়ে যত বেশি চিন্তা করি, ততই এটি আমার কাছে গভীর ও আবেগময় হয়ে ওঠে। পুরো ঘটনাটিই যেন ভালোবাসা ও প্রিয় নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে হৃদয়ের এক গভীর সম্পর্কের কথা বলে।

কবিতার সেই পঙ্‌ক্তিগুলো যে ভালোবাসা থেকে বেরিয়ে এসেছে, তা স্পষ্ট। আর আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.)-এর উম্মতের প্রতি যে মমতা ও উদ্বেগ ছিল, সেটিও তাঁর ভালোবাসা ও রহমতেরই প্রকাশ।

আল্লাহ তাঁর রাসুল (সা.)-কে এত ভালোবাসতেন যে, তাঁর রাসুলের সুপারিশের মাধ্যমে বান্দাদের জন্য ক্ষমা ও রহমতের দরজা খুলে দিয়েছেন।

আমার নিজের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষাগুলোর একটি হলো, আমাদের রাসুল (সা.)-এর প্রতি এমন ভালোবাসা অর্জন করা, যেমন ভালোবাসা তাঁর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) তাঁর প্রতি পোষণ করতেন।

সহিহ বুখারিতে আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,

“যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ! তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার নিজের জীবন, তার সম্পদ, তার সন্তান এবং সমস্ত মানুষের চেয়েও বেশি প্রিয় হই।”

তখন উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বললেন,

“হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর কসম, আপনি আমার কাছে সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রিয়, শুধু আমার নিজের জীবন ছাড়া।”

রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন,

“না, উমর। যতক্ষণ না আমি তোমার নিজের জীবন থেকেও বেশি প্রিয় হই।”

তখন উমর (রা.) সঙ্গে সঙ্গে নিজের কথা সংশোধন করে বললেন,

“হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর কসম, এখন আপনি আমার কাছে সবকিছুর চেয়েও বেশি প্রিয়, এমনকি আমার নিজের জীবন থেকেও।”

রাসুল (সা.) বললেন,

“উমর, এখন তুমি তা অর্জন করেছ।”

এমন ভালোবাসা সত্যিই অসাধারণ।

এমন ভালোবাসাই মানুষকে যুদ্ধের ময়দানে নিজের জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করে প্রিয় নবী (সা.)-কে রক্ষা করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

এমন ভালোবাসাই একজন সাহাবিকে তাঁর ইন্তেকালের পর আল্লাহর কাছে দোয়া করতে প্রেরণা দিয়েছিল, তিনি যেন অন্ধ হয়ে যান, যাতে তাঁর চোখ পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার আগে শেষ যে মুখটি দেখেছে, সেটি হয় তাঁর প্রিয় নবীজি (সা.)-এর মুখ।

এমন ভালোবাসাই নবীজি (সা.)-এর ইন্তেকালের সংবাদ শুনে সাহাবিদের মধ্যে সবচেয়ে শক্ত সমর্থ মানুষগুলোকেও হাঁটু গেড়ে বসে অঝোরে কাঁদতে বাধ্য করেছিল।

একটু চোখ বন্ধ করে সেই দৃশ্যটি কল্পনা করুন

কয়েক মুহূর্তের জন্য চোখ বন্ধ করুন।

মনে করুন, আপনি মদিনায় আছেন।

দেখুন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) প্রথমে প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ হয়ে উঠেছেন। তিনি তলোয়ার হাতে নিয়ে হুমকি দিচ্ছেন, যে কেউ যদি বলে, “মুহাম্মাদ (সা.) ইন্তেকাল করেছেন”, তাকে তিনি হত্যা করবেন।

তারপর আবু বকর আস সিদ্দীক (রা.) উঠে দাঁড়ালেন। তিনি ঘোষণা করলেন, রাসুল (সা.) ইন্তেকাল করেছেন। এরপর তিনি কুরআনের সেই আয়াতগুলো তিলাওয়াত করলেন, যেখানে রাসুল (সা.)-এর মানবিক স্বভাব ও তাঁর মৃত্যুর বাস্তবতার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আর তখন,

উমর (রা.), যাঁর বিশাল দেহের কারণে দূর থেকে মনে হতো যেন তিনি ঘোড়ায় চড়ে আছেন, অথচ তিনি হেঁটেই চলেছেন, সেই শক্তিশালী উমর মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন এবং প্রচণ্ড কান্নায় ভেঙে পড়লেন।

বিলাল ইবনে রাবাহ (রা.) ছিলেন রাসুল (সা.)-এর মুয়াজ্জিন।

রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকালের পর তিনি মদিনায় থাকতে পারছিলেন না। মদিনার প্রতিটি জায়গা তাঁকে তাঁর প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কোনো না কোনো স্মৃতি মনে করিয়ে দিত।

তাই তিনি মদিনা ছেড়ে সিরিয়ায় চলে গেলেন।

কয়েক বছর কেটে গেল। তিনি আর মদিনায় ফিরলেন না।

একদিন স্বপ্নে তিনি রাসুল (সা.)-কে দেখলেন। রাসুল (সা.) তাঁকে বললেন,

ما هذا الجفاء يا بلال؟ أما آن لك أن تزورنا؟

“বিলাল, এ কেমন দূরত্ব আমাদের থেকে? আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসার সময় কি এখনও হয়নি?”

ঘুম ভাঙার পর বিলাল (রা.) আর দেরি করলেন না। তিনি দ্রুত মদিনার উদ্দেশে রওনা হলেন।

মদিনা শহরটি চোখে পড়তেই তিনি কাঁদতে শুরু করলেন, শহরে প্রবেশের আগেই।

কাঁদতে কাঁদতে তিনি পৌঁছে গেলেন নবীজি (সা.)-এর মসজিদে। তারপর তাঁর পবিত্র কবরের কাছে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন।

রাসুল (সা.)-এর দুই প্রিয় নাতি, হাসান ও হুসাইন (রা.), বিলাল (সা.)-এর কাছে এলেন। তাঁরা একে অপরকে দীর্ঘ সময় ধরে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন।

এরপর তাঁরা বিলাল (রা.)-কে অনুরোধ করলেন, তিনি যেন আবার আজান দেন।

রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকালের পর থেকে বিলাল (রা.) আর আজান দেননি।

আবু বকর (রা.) ও উমর (রা.) তাঁকে আজান দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তাঁর জন্য সেটি এতটাই কষ্টকর ছিল যে তিনি নিজেকে আর সেই কণ্ঠে আজান দেওয়ার মতো অবস্থায় আনতে পারেননি।

কিন্তু রাসুল (সা.)-এর নাতিদের অনুরোধ তিনি ফিরিয়ে দিতে পারলেন না।

অবশেষে তিনি রাজি হলেন।

বিলাল (রা.) মসজিদের ছাদে উঠে দাঁড়ালেন।

তারপর তাঁর সেই পরিচিত কণ্ঠে ধ্বনিত হলো,

“আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার!”

সঙ্গে সঙ্গে মদিনার মানুষ, ছোট বড়, নারী পুরুষ, সবাই কাঁদতে শুরু করল।

কয়েক বছর হয়ে গিয়েছিল তারা এই কণ্ঠে আজান শুনেনি, সেই একই কণ্ঠ, যে কণ্ঠে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নেতৃত্বে নামাজের জন্য মানুষকে ডাকা হতো।

সবার মনে একের পর এক স্মৃতি ভেসে উঠতে লাগল, যখন তাদের প্রিয় নবী (সা.) তাদের মাঝে ছিলেন।

এমনকি কারও কারও মনে হলো, হয়তো রাসুল (সা.) আবার জীবিত হয়ে ফিরে এসেছেন! মানুষ তাঁকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়ল।

আর বিলাল (রা.)?

তিনি যখন আজানের সেই জায়গায় পৌঁছালেন যেখানে বলতে হয়,

“আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ…”

তখন “আশহাদু আন্না মুহাম্ম…” বলেই তাঁর কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে গেল।

তিনি আর শেষ করতে পারলেন না।

ইদানীং আমি একটি বিষয় নিয়ে অনেক ভাবছি।

আমরা যখন দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তখন সাধারণত কী চাই?

আল্লাহর রহমত চাই, সাহায্য চাই, নিজেদের প্রয়োজন পূরণের জন্য চাই, জীবনের জটিলতা সহজ করে দেওয়ার জন্য চাই, বিপদ দূর করার জন্য চাই।

কিন্তু আমার মনে হয়, আমাদের খুব অল্পসংখ্যক মানুষই আল্লাহর কাছে এভাবে দোয়া করি,

“হে আল্লাহ, আপনার রাসুল (সা.)-এর প্রতি এমন ভালোবাসা আমার অন্তরে ঢেলে দিন, যেমন ভালোবাসা তাঁর সাহাবিদের অন্তরে ছিল।”

আমি কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করেছি, তারা কখনো কি আল্লাহর কাছে দোয়া করেছে যে, তারা যেন স্বপ্নে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাক্ষাৎ লাভ করে?

দুঃখজনকভাবে, অধিকাংশ মানুষ বলেছে, তারা কখনো এ বিষয়টি নিয়েই চিন্তা করেনি।

ইমাম আহমদের সংকলনে আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে একটি বর্ণনা রয়েছে। সেখানে রাসুল (সা.) আবু বকর (রা.)-কে বলেছিলেন,

“হে আবু বকর! আমার খুব ইচ্ছা হয় আমার ভাইদের সঙ্গে দেখা করি। আমার খুব ইচ্ছা হয় আমার ভাইদের সঙ্গে দেখা করি। আমি তাদের ভালোবাসি।”

আবু বকর (রা.) বললেন,

“হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কি আপনার ভাই নই?”

রাসুল (সা.) বললেন,

“তোমরা আমার সাহাবি। আর আমার ভাই হলো সেইসব মানুষ, যারা আমাকে না দেখেও আমার প্রতি ঈমান আনবে এবং আমাকে এত গভীরভাবে ভালোবাসবে যে, আমি তাদের কাছে তাদের বাবা মা ও সন্তানদের চেয়েও বেশি প্রিয় হব।”

সবকিছুই যেন ভালোবাসাকে ঘিরে।

তাই আরেকবার চোখ বন্ধ করুন।

এক মুহূর্তের জন্য কল্পনা করুন,

আপনাকে এমন একটি সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যেখানে আপনি আপনার সবচেয়ে প্রিয় নবী (সা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।

সেই নবীজি (সা.), যিনি আপনাকে তাঁর ভাই ও বোন বলে অভিহিত করেছেন।

যিনি বলেছেন, তিনি আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান।

একটু ভাবুন তো।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আপনার সঙ্গে সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছেন।

আপনি তাঁর কাছে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, প্রায় দেড় হাজার বছর আগে পৃথিবীতে আগমন করেও তিনি আপনার কথা ভেবেছেন, আপনার জন্য উদ্বিগ্ন হয়েছেন।

এখন কল্পনা করুন,

সর্বাধিক দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন সেই সবচেয়ে মমতাময়, সবচেয়ে দয়ালু, সবচেয়ে প্রিয় মানুষটি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

তিনি আপনাকে তাঁর পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।

আপনার কথা শোনার জন্য তাঁর কোনো তাড়া নেই।

তিনি আপনাকে থামাবেন না।

কেউ আপনাকে তাঁর কাছ থেকে সরিয়ে নেবে না।

আপনি যতক্ষণ চান, তিনি আপনার কথা শুনবেন।

তাহলে আপনি তাঁকে কী বলবেন?

আল্লাহ আমাদের অন্তরে তাঁর নিজের এবং তাঁর প্রিয় রাসুল (সা.)-এর ভালোবাসা ঢেলে দিন।

আল্লাহ আমাদের স্বপ্নে তাঁর প্রিয় হাবিব (সা.)-এর সাক্ষাৎ লাভের সৌভাগ্য দান করুন।

আল্লাহ আমাদের তাঁর শাফাআত লাভকারী বানান এবং আখিরাতের সর্বোচ্চ মর্যাদায় তাঁর সান্নিধ্য ও সাহচর্য দান করুন।

ভালোবাসা রইল।

মূল: মোহাম্মদ গিলান, এম.ডি., পিএইচ.ডি.

অনুবাদ: শরিফ হাসানাত

এসএইচ/

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ