শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করায় আমানাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ভারতের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু  ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েও ‘হেদায়েত’ করা গেল না তাকে! জমিয়তের খাস কমিটির বৈঠক, ত্রাণ ফান্ডে সহযোগিতার আহ্বান ‘ইসলামি গবেষণাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে’ ইসলামী আন্দোলনের লালমনিরহাট জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘জুলাই চেতনার কথা বলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চালানো দ্বিচারিতা’ বন্যা দুর্গতদের পাশে আলেম, ইসলামি সংগঠন ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইমামুল হিন্দের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস অন্যায়: মাওলানা আরশাদ মাদানী ‘আল-মুঈন ত্রাণ তহবিলে’ উদারহস্তে সহযোগিতার আহ্বান হাটহাজারীর মুহতামিমের

১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েও ‘হেদায়েত’ করা গেল না তাকে!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

মিরসরাই প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মোবাইল ও নারীদের ব্যাগ চুরির অভিযোগে আটক এক যুবককে স্থানীয়রা ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় ও তওবা করিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেন। তবে কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন ওই যুবক।

ঘটনাটি শুক্রবার (১৭ জুলাই) মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ফকির আস্তানা এলাকায় ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোন ও একটি লেডিস ব্যাগ চুরির অভিযোগে মো. ফয়জুল করিম নামে এক যুবককে আটক করেন এলাকাবাসী। পরে তার অসহায় অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে আর চুরি বা অসৎ কাজে জড়াবেন না—এমন প্রতিশ্রুতি আদায় করা হয়। শাস্তিস্বরূপ তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় ও তওবা করতে বলা হয়। এরপর স্থানীয়রা তাকে ক্ষমা করে ছেড়ে দেন।

কিন্তু ওই রাতেই পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যায়। জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে ফয়জুল করিমকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার হওয়া ফয়জুল করিম জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

স্থানীয় যুবক জহির বলেন, ‘ভালো হওয়ার অঙ্গীকার করে ১০০ রাকাত নফল নামাজ ও তওবা করার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাতেই শুনলাম, মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। এতে আমরা হতাশ হয়েছি।’

আরেক স্থানীয় যুবক আহসান উল্লাহ রাকিব বলেন, ‘অসহায় ভেবে তাকে আরেকটি সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মাদকসহ ধরা পড়ার ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক।’

এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম বলেন, স্থানীয়রা চুরির ঘটনায় তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছিলেন। পরে রাতে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, অনুতাপ ও সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার পরও পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ