বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

সীমান্তে নিহতরা সবাই অপরাধে জড়িত: বিএসএফ মহাপরিচালক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে যারা গুলিতে নিহত হয়েছেন তারা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং।

নিহতরা সবাই মাদক, গরু চোরাকারবারসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা রাতে ঘটে এবং যখন বিএসএফ সদস্যরা হামলার শিকার হয় তখনই তারা গুলি করে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব বলেন।

সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের কীসের ভিত্তিতে অপরাধী বলা হয়, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, 'বিচার ব্যবস্থায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কাউকে অপরাধী বলতে পারি না।

আমরা বর্ডার গার্ড, কলকাতা পুলিশ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করি। মাফিয়ারা সীমান্ত দিয়ে চোরাকারবারিতে জড়িত।'

তিনি বলেন, এখানে দুটি ইস্যু আছে, কাউকে অপরাধী বলার জন্য আমরা শুধু বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করি না। আরেকটি বড় বিষয় হলো গোয়েন্দা তথ্য।

বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, সীমান্ত এলাকায় ভালো-মন্দ দু ধরনের মানুষই আছে। তাদের কারণে সীমান্তে অপরাধ সংঘটিত হয়। তাদের কারণেই চোরাকারবার, শিশু ও নারীপাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশের মতো ঘটনা ঘটছে।

বিএসএফ ডিজি আরো বলেন, আমরা প্রথমে মারণঘাতি অস্ত্র ব্যবহার করি না, যেন প্রতিরোধ মারণঘাতি না হয়।অপরাধীদের হামলায় সীমান্তে ৮৯ জন বিএসএফ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ