বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ট্যাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাসে ৭ মাসের ভর্তুকি একমাসে দিতে হয়েছে: গণপূর্তমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে ‎বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ‎ গওহরডাঙ্গা বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ২০ সেপ্টেম্বর ৫ সেপ্টেম্বর জামিআ ইকরায় ‘খুতুরাতুত তাকফির’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ক্রস বর্ডার অ্যাডুকেশনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নাজমুল হুদা মজনুর একজোড়া কাব্য  জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প নিজের জীবনের পুরো সঞ্চয় দিয়ে মসজিদ নির্মাণ ৮৪ বছরের বৃদ্ধের

পাকিস্তানে কমলো জ্বালানি তেলের দাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পাকিস্তানে আজ শুক্রবার থেকে কমেছে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম। জনগণকে স্বস্তি দিতে গতকাল বৃহস্পতিবার জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে দেশটি। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ১৮ দশমিক ৫০ রুপি, ডিজেলের দাম ৪০ দশমিক ৫৪ রুপি, কেরোসিন তেলের দাম ৩৩ দশমিক ৮১ রুপি এবং হালকা ডিজেল তেলের দাম ৩৪ দশমিক ৭১ রুপি কমানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ। ভাষণে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়ার আগে পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের (পিটিআই) সমালোচনা করেন তিনি।

শাহবাজ বলেন, ‘আমরা উত্তরাধিকারসূত্রে আগের সরকারের কাছ থেকে একটি সংকটপূর্ণ অর্থনীতি পেয়েছি। তারা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে করা চুক্তি মানেনি। সরকারি কোষাগার খালি হওয়া সত্ত্বেও তারা জ্বালানির দাম কমিয়েছে। শুধুমাত্র আমাদের অসুবিধায় ফেলতে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।’ এ সময় পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথাও জানান শাহবাজ।

উল্লেখ্য, আইএমএফ’র সঙ্গে একটি ঋণ চুক্তিতে পৌঁছেছে পাক সরকার। এতে অতিরিক্ত ১২০ কোটি ডলারের পাশাপাশি আরও অর্থ ছাড় পাবে দেশটি। এ চুক্তিকে পাকিস্তানের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধ ও আমদানি ব্যয় মেটাতে পাকিস্তানের প্রয়োজন চার হাজার কোটি ডলারের বেশি। আইএমএফের ফান্ডের কারণে এসব ঋণ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে দেশটির কাছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ