বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামি বইমেলায় লিটলম্যাগ কর্নার নিয়ে অনিশ্চয়তায় ক্ষুব্ধ তরুণ লেখকরা এসএসসির পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাশ ৪ হাজার ৫৮৫ জন ইরানের দক্ষিণ উপকূলে রাতভর দফায় দফায় বিস্ফোরণ খায়বার বিজয়—অন্যায়ের দুর্গে ন্যায়ের পতাকা ‘কৃত্রিমতার সময়ে নবীজি (সা.)-এর অকৃত্রিম জীবনই বড় শিক্ষা’ সংসদে নামাজ কায়েম ও রাষ্ট্রীয়ভাবে জাকাত চালুর দাবি সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিংয়ে হতাহতের ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের শোক মেখলের মাওলানা উসমান ফয়েজীর সুস্থতায় বিশেষ দোয়ার আহ্বান হাটহাজারীর মুহতামিমের ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি ওমরাহ পালন শেষে মদিনায় বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু

দক্ষিণ সিটিতে ৪০ ভাগ ডেঙ্গু রোগী: মেয়র তাপস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ফজলে নূর তাপস জানিয়েছেন, ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ৪০ ভাগ ঢাকা দক্ষিণে।

বুধবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে সারাদেশে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ১১তম আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মেয়র এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আমরা এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৪৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পেয়েছি। তারমধ্যে এক হাজার ৮৩২ জন (দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের)। তাতে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪০ দশমিক ৩১ ভাগ রোগী শনাক্ত করা গেছে। এছাড়া ঢাকার বাইরের অনেক রোগী পাচ্ছি।

মেয়র বলেন, আমরা ঢাকাবাসীকে এডিস মশা থেকে মুক্ত রাখার জন্য সর্বাত্মক জনবল ও শক্তি প্রয়োগ করে আমাদের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে চলেছি।

তিনি বলেন, ভিয়েতনামে গত জুলাই মাসে ৩৭ হাজার ৪২০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় জুলাই মাসে ১০ হাজার ৩৭১ জন। ভারত এখন পর্যন্ত পরিসংখ্যান দিচ্ছে না। তাতে বুঝা যায় কত বেশি সেখানে হতে পারে। এটা হচ্ছে এশিয়ার পারিপার্শ্বিকতা।

তাপস বলেন, একটি বিষয় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার কারণে এই এলাকায় এডিস মশা বিস্তারের অভয়ারণ্য হয়ে থাকে। বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হলে এডিস মশা বেশি হবে। সেটাই আমরা লক্ষ্য করছি। এবার এডিস মশা অনুকূল আবহাওয়া পেয়েছে।

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে ফজলে নূর তাপস বলেন, তথাপিও বলব, আমরা অত্যন্ত দুঃখিত। তারপরও ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৩৫ জন মারা গেছেন। বিশেষ করে যেটা কষ্টদায়ক সেটা হলো বাচ্চারা আক্রান্ত হচ্ছেন। আশা করি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে, অভিভাবকরা আরও সচেতন হবেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ