শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
চট্টগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে একজন নিহত, শিশুর হাত-পা বিচ্ছিন্ন পদ্মা ব্যারেজ কবে উদ্বোধন, জানালেন পানিসম্পদমন্ত্রী নিজ আসনে ধর্মীয়-সামাজিক প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান ২৫ সেপ্টেম্বরের যুব কনভেনশন সফল করতে যুব সমাজের প্রতি আহ্বান সৌদি-তুরস্ক প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করল পাকিস্তান শিশুসাহিত্যের প্রিয় মুখ আমীরুল ইসলাম আর নেই ‘সরকারি চাকরির ভাইভায় ৫০ শতাংশ নম্বর জাতি ধ্বংসের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ ‘জুলাই সনদ’ অক্ষরের অক্ষরে বাস্তবায়নের ঘোষণা চিফ হুইপের তাবুক অভিযান—কঠিন সময়ে ঈমান ও ত্যাগের পরীক্ষা বিতর্কিত আইন করে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে: জালালুদ্দীন আহমদ

বিশ বছর পর আফগানিস্তানের বাগরাম ঘাঁটি ছাড়ছে মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় বিশ বছর পর আফগানিস্তানে বাগরাম ঘাঁটি ছাড়ছে মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী। বাহিনী দুটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, আমেরিকান এবং ন্যাটো বাহিনীর শেষ সদস্যরা আফগানিস্তানের বাগরাম বিমানঘাঁটি ছেড়ে গেছে।

এর আগে প্রায় বিশ বছর ধরে এই ঘাঁটি থেকেই বিদেশি বাহিনী তালেবান এবং আল কায়েদার ওপর আক্রমণ চালিয়েছে। তাদের বাগরাম ছেড়ে যাওয়ার অর্থ হল আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সৈন্য সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া খুব শিগগিরি সম্পন্ন হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আমেরিকান বাহিনী সেখান থেকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে ১১ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে। কিন্তু কাবুলের উত্তরে বিস্তীর্ণ এই ঘাঁটি থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে যখন আফগানিস্তান তালেবান দেশটির বহু এলাকায় তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। প্রত্যাহারের জন্য ১১ই সেপ্টেম্বরের যে চূড়ান্ত সময়সীমা ধার্য করা হয়েছে।

বাগরাম বিমান ঘাঁটিটি কাবুলের ৪০ কিলোমিটার (২৫ মাইল) উত্তরে। এর নামকরণ কাছের একটি গ্রামের নামে। বাগরাম বিমান ঘাঁটিটি গড়ে তুলেছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, যখন তারা ১৯৮০ এর দশকে আফগানিস্তান দখল করে।

মার্কিন নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন বাহিনী সেখানে যায় ২০০১ সালের ডিসেম্বরে এবং এই ঘাঁটির পরিসর তারা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে তোলে। সেখানে এখন দশ হাজার সৈন্য থাকতে পারে।

তালেবানের একজন মুখপাত্র জাবিহউল্লাহ মুজাহিদ বাগরাম থেকে মার্কিন সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহারকে স্বাগত জানিয়ে এএফপি সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, ‘এর মধ্যে দিয়ে আফগান জনগণের নিজেদের ভবিষ্যত নির্ধারণের পথ প্রশস্ত হবে।’

ধারণা করা হয়, এই লড়াইয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৪৭ হাজারের বেশি বেসামরিক আফগান এবং প্রায় ৭০ হাজার আফগান সৈন্য। সূত্র: বিবিসি

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ