শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৮ রজব ১৪৪৭


টিকা নিয়েও করোনায় আক্রান্ত ত্রাণসচিব ও স্বাস্থ্যকর্মী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনার টিকা নেয়ার পর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহা. মোহসীন এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার সাজ্জাদ হোসেন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

জানা যায়, ত্রাণসচিব টিকা গ্রহণের ১২ দিন পর তার করোনা শনাক্ত হয়। অন্যদিকে টিকা নেয়ার ১৬ দিনের মাথায় স্বাস্থ্যকর্মী সাজ্জাদ হোসেনর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট নজরুল ইসলাম বলেছেন, শরীরে করোনার জীবাণু প্রবেশের পর যদি তারা টিকা নেন, তাহলে সেটা কাজ না–ও করতে পারে। কারণ, ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশের পর এর শক্তিকাল ১৫ দিন। তার আগেই তারা আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন।

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, টিকার বুস্টিং ডোজ বা দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে। তবে কারও যদি নানা শারীরিক সমস্যা বা ইমিউনিটি সিস্টেম দুর্বল থাকে, তাহলে তিনি আবারও আক্রান্ত হতে পারেন। তবে সে সংখ্যা ১০ হাজারে একজন হতে পারে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মুহা. সেলিম হোসেন বলেন, ‘সচিব স্যারসহ অফিসের সবাই ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে টিকা নিয়েছিলাম। পরে সচিব স্যারের ১৩ তারিখ থেকে ঠান্ডা, জ্বর, কাশির উপসর্গ দেখা দেয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি করোনা পরীক্ষা করালে পজিটিভ আসে।’

ত্রাণসচিব মোহাম্মদ মোহসীনের সহকারী শামীম রহমান বলেন, তিনি (ত্রাণসচিব) ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এখন তার কোনো উপসর্গ নেই। আজ চিকিৎসকেরা আরেকটি করোনা টেস্ট করতে বলেছেন। নেগেটিভ এলে হয়তো তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হবে।

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার সাজ্জাদ হোসেন টিকা নেয়ার পর ২৩ ফেব্রুয়ারি করোনা পজেটিভ হন। ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি টিকা নিয়েছিলেন।

টিকা নেয়ার পর স্বাস্থ্যকর্মী সাজ্জাদ হোসেনের করোনায় আক্রান্ত হওয়া প্রসঙ্গে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল কাজী মোহাম্মদ রশিদ–উন–নবী বলেন, যেদিন তিনি (সাজ্জাদ হোসেন) টিকা নেন, সেদিন থেকেই তার জ্বর ছিলো। তবে তার শরীরে হয়তো আগে থেকেই করোনার জীবাণু ছিল। সাজ্জাদ হোসেন এখন বাসায় আইসোলেশনে আছেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ