রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জাতীয় ছুটির তালিকায় সাংবাদিকদের রাখার দাবি ডিআরইউর ৯ পদে ৮৮ জনকে চাকরি দেবে মারকাজুল ফুরকান তাকদির মানুষের চেষ্টার সঙ্গে কীভাবে কাজ করে? খেলাফত প্রতিষ্ঠার দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে: বিকেএম মহাসচিব শরিয়াহ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিন: শায়খে চরমোনাই ‘বাংলাদেশের হজযাত্রীদের কল্যাণে সৌদি সরকারের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ সব অফিসের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশ কওমি মাদরাসার সুরক্ষায় ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদের ৬ দফা প্রস্তাব ৪ নভেম্বর থেকে কমবে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ  ফলাফল সন্তোষজনক নয় এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিতের নির্দেশ 

হিমবাহ ভেঙে ১৪ লাশ উদ্ধার, ১৭০ জন নিখোঁজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতে বিশাল হিমবাহ ধসে বাঁধ ভেঙে মৃত মানুষের সংখ্যা পৌঁছেছে ১৪ জনে । বাঁধ ঘিরে গড়ে ওঠা পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োজিত ১৭০ কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। রোববার উত্তরাখন্ড রাজ্যের চামোলি জেলার জোশিমঠে এ ঘটনা ঘটে।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, এনটিপিসি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ১৪৮ জন কর্মী ছিলেন। রিশিগঙ্গা বিদ্যুকেন্দ্রে ছিলেন ২২ জন কর্মী। তাঁরা সবাই নিখোঁজ। নির্মাণাধীন একটি সুড়ঙ্গে ১২ জন আটকা ছিলেন। আইটিবিপি দল তাঁদের উদ্ধার করেছে। আরেকটি সুড়ঙ্গে প্রায় ৩০ জন আটকা আছেন। ওই সুড়ঙ্গটি ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার লম্বা। উদ্ধারকারী দল সারা রাত ধরে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি বলেছে, প্রতিবেশী এলাকাগুলোতে আর ক্ষতির আশঙ্কা নেই। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও জাতীয় পানি কমিশন বলছে, এ সময় নদীর তলদেশে আর বন্যার আশঙ্কা নেই।

দুর্ঘটনাস্থলে চিকিৎসক দল পৌঁছেছে। জসীমাত এলাকায় ৩০ শয্যার একটি হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া শ্রীনগর, ঋষিকেশ, জলিগ্রান্ত ও দেরাদুনে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

উত্তরাখন্ড রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত গতকাল ঘটনাস্থলে গিয়ে বলেছেন, এনটিপিসি ও রিশিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পে ১৬০ জনের মতো মানুষ কাজ করতেন। তাঁদের অবস্থান শনাক্ত ও উদ্ধার কাজ করছে উদ্ধারকারী দল। উদ্ধার কার্যক্রম জোরালোভাবে চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধারকাজ চলছে।

উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে চার লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ন্যাশনাল রিলিফ ফান্ডে অতিরিক্ত দুই লাখ রুপি দেওয়া হবে। গুরুতর আহত ব্যক্তিদের ৫০ হাজার রুপি দেওয়া হবে।

দুর্ঘটনাস্থলে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী কাজ করছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটে জানান, ভারত উত্তরাখন্ডের পাশে রয়েছে। সবার নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করা হচ্ছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি বলেছে, প্রতিবেশী এলাকাগুলোতে আর ক্ষতির আশঙ্কা নেই। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও জাতীয় পানি কমিশন বলছে, এ সময় নদীর তলদেশে আর বন্যার আশঙ্কা নেই।

সকালে হঠাৎ হিমবাহটি ভেঙে পড়ে। এতে অলকনন্দা ও ধউলিগঙ্গা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে উঠে যায়। ফলে প্রাণহানি এড়াতে স্থানীয় হাজারো বাসিন্দাকে উদ্ধার করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাশের ঋষিগঙ্গা ও এনটিপিসি বিদ্যুৎকেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর জন্য দুর্যোগ প্রতিরোধ দল পাঠানো হয়েছে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ