বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা তুরুস্কের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী জাতির সুরক্ষা এবং নিরাপত্তায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানায় তারা।

সেখানে বলা হয়েছে, সকল প্রতিষ্ঠান দেশ ও দেশের বাইরে বীরত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও বিপদের বিরুদ্ধে মহৎ জাতির (তুর্কি) ভালবাসা, বিশ্বাস এবং প্রার্থনায় তাদের অভিযান পরিচালনা করে থাকে তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী। বিশেষ করে, ফেতুল্লার মতো সন্ত্রাসী সংগঠন (ফেতো), ওয়াইপিজি, পিকেকে ও আইএসআইএসের বিরুদ্ধে।

ফেতো এবং এর যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক নেতা ফেতুল্লাহ গুলেন তুরস্কে ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই একটি অভ্যুত্থান পরিচালনা করেছিল। সেটিতে তার বাহিনীর পরাজয় ঘটে। এ ঘটনায় ২৫১ জন শহীদ এবং প্রায় ২ হাজার ২০০ জন আহত হন।

আঙ্কারা অভিযোগ করেছিল যে, তুরস্কের প্রতিষ্ঠান বিশেষত সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিচার বিভাগে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার দীর্ঘকালীন প্রচারের পেছনে ফেতোর হাত রয়েছে।

তুরস্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউর তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসবাদী সংগঠন পিকেকে দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তুরস্কের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ প্রায় ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী তারা। আর ওয়াইপিজি হলো পিকেকের সিরিয়ান শাখা।

২০১৩ সালে তুরস্ক দায়েশ বা আইএসআইএসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণাকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে একটি হয়ে উঠে।

এরপর দেশটি একাধিকবার দায়েশ বা আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়েছে। বিভিন্ন সময় আইএসের কমপক্ষে ১০টি আত্মঘাতী বোমা হামলা, সাতটি বোমা হামলা এবং চারটি সশস্ত্র হামলায় ৩১৫ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছেন। জবাবে তুরস্ক অধিকতর আক্রমণ ঠেকাতে দেশ-বিদেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ