রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সেবায় ঘাটতি, ২১ ওমরাহ কোম্পানির কার্যক্রম স্থগিত করল সৌদি ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে ঢুকে গুলি, আহত ২ রাশিয়ায় ধরপাকড়ের মুখে আলেমরা, বাড়ছে ইসলাম বিদ্বেষ মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারী আহত ভারতের সীমান্ত হত্যা ও পুশইন নীতি গভীর উদ্বেগজনক’ নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি, ৫ পুলিশসহ আহত ৮ শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ বাতিল চায় জমিয়ত নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ভাইয়ের মৃত্যু, আহত ১ আমাকে হারাতে শত শত কোটি ব্যয় করা হয়েছে: শায়খে চরমোনাই

নওয়াজের দ্বিতীয় কন্যা আসমার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ কামাইয়ের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের দ্বিতীয় কন্যা আসমা নওয়াজও এবার ন্যাশনাল একাউন্টেবলিটি ব্যুরোর (এনএবি) রাডারে ধরা পড়েছেন। চৌধুরী সুগার মিলস যখন লোকসান দিয়েছে, তখনও সেখান থেকে তিনি লাভ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সম্প্রসারণ করেছে এনএবি।

আসমা নওয়াজের সম্পদ অঘোষিতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে এমন তদন্ত করছে এনএবি। তারা বলেছে, ২০০১ সালে ওই মিল থেকে ১১ লাখ ২৮ হাজার রুপি লাভ নিয়েছেন আসমা। কিন্তু ওই বছরে মিলটি ১৩ কোটি ১১ লাখ রুপি লোকসানের মুখে পড়েছে বলে বলা হয়েছে। এনএবি বলেছে, আসমা যে আয়কর রিটার্ন ফাইল জমা দিয়েছেন তা সন্দেহজনক। তার কোনো আয়ের উৎস না থাকলেও সম্পদ বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল।

১৯৯২ সালে তার মোট সম্পদ ছিল ১৪ লাখ ৭০ হাজার রুপির। ১৯৯৩ সালে তা বেড়ে তিন কোটি ১৫ লাখ রুপি দাঁড়ায়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

এনএবি বলেছে, ২০১০ সালের ২৬ শে জুন থেকে ২০১৩ সালের ৩রা জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে চৌধুরী সুগার মিলস থেকে সরাসরি কয়েক লাখ রুপি গ্রহণ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ। তিনি ৫৬ লাখ ৬৭ হাজার রুপি নিয়েছেন ৫ বার। ৯ বার নিয়েছেন ৫ লাখ ৬০ হাজার রুপি। ২২ বার নিয়েছেন ৮ লাখ রুপি এবং ২০ বার নিয়েছেন ৮ লাখ ২০ হাজার রুপি।

দুর্নীতি বিরোধী ব্যুরো এনএবি আরো বলেছে, ওই মিলটির শেয়ার হিসাবে নওয়াজ শরীফ পরিবারের ছিল এক কোটি শেয়ার। ২০০৮ সালে নওয়াজ শরীফ ১২ লাখ শেয়ারের মালিক হন। ২০১৬ সালে এক কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মালিক হন।

চৌধুরী সুগার মিলসে অনিয়মের অভিযোগে এরই মধ্যে নওয়াজ শরীফের বড় মেয়ে ও তার দল পিএমএলএনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মরিয়ম নওয়াজ ও ভাতিজা ইউসুফ আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এনএবি।

লাহোরের কোট লাখপাত জেল থেকে ২০১৯ সালের অক্টোবরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নওয়াজ শরীফকেও জেলে নেয়া হয়। কিন্তু লাহোর হাইকোর্ট পরে তাকে জামিন দেয়। এনএবির মতে, ওই কোম্পানিতে বিভিন্ন সময়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ার ছিল নওয়াজের।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ