মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

ইশরাকের নামাজ কী, কখন পড়বো, কীভাবে পড়বো!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ইশরাক নামাজের ফজিলত অনেক বেশি। আমাদের হয়তো অনেকের জানা নেই যে, ইশরাকের দুই রাকাত নামাজ পড়লে হজ ও ওমরার সওয়াব পাওয়া যায়।

কোনো সময় সেই দুই রাকাত নামাজ পড়তে হবে তা জেনে নিই- সূর্য উদয়ের পর যে দুই বা চার রাকাত নফল নামাজ পড়া হয়, তাকে ইশরাক-এর নামাজ বলে। এই নামাজ আদায় করলে এক হজ ও এক উমরার সওয়াব পাওয়া যায়। হাদিসে কুদসিতে রাসুল পাক মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, হে মানুষ, তুমি দিনের প্রথম অংশে আমার জন্য চার রাকাত নামাজ আদায় করো।

তাহলে এ দিনে তোমার যা কিছু প্রয়োজন হয়, সবই আমি পূরণ করে দেব।’ এ হাদিসে কুদসি দ্বারা প্রমাণ হয়, ইশরাকের নামাজ চার রাকাত। তবে দুই রাকাত পড়লেও চলে। সাধারণত দুই রাকাতই পড়া হয়। তবে চার রাকাত পড়ে নেয়া উত্তম।

তিরমিজি শরিফে বর্ণিত আরেক হাদিসে হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জামায়াতে ফজরের নামাজ আদায় করে সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই বসে থাকে এবং আল্লাহর নামে জিকির-আযকার করতে থাকে, এরপর আকাশে সূর্য ভালোভাবে উদয় হলে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করে, সেই ব্যক্তি এক হজ ও এক উমরা আদায়ের সওয়াব পাবে।

ইশরাক নামাজের নিয়ত: ইশরাক নামাজের জন্য বিশেষ কোনো নিয়ত নেই। আরবিতেও নিয়ত বলা আবশ্যক নয়। শুধু এটুকু বললেই হবে, আমি আল্লাহর ওয়াস্তে কেবলামুখী হয়ে ইশরাকের দুই রাকাত নফল নামাজের নিয়ত করছি, আল্লাহু আকবার।

ইশরাক নামাজের সময়: সূর্য উদয় হওয়ার অন্তত ২০ মিনিট পর ইশরাকের ওয়াক্ত শুরু হয়। দ্বিপ্রহরের আগ পর্যন্ত নামাজ আদায় করা যায়। তবে ওয়াক্তের শুরুতেই ইশরাক নামাজ পড়ে নেয়া উত্তম। ফজরের নামাজ আদায়ের পর সেই স্থানে বসে থেকে দোয়া-দুরুদ, যিকির আযকারে লিপ্ত থাকবে। ইশরাকের নামাজ যেকোনো সূরা/কেরাত দিয়ে পড়া যায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ