বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ ।। ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিঙ্গাপুর থেকে ১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার দাবি না মানলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তাপ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগে মনোনয়ন চূড়ান্ত: অর্থমন্ত্রী দেশ চলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে, ঘৃণায় নয়: মাওলানা আরশাদ মাদানী বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম, ২ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে আরজাবাদে ছাত্র জমিয়তের নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক বিকেএমের গুলশান জোনের নাগরিক সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি বৈঠক

মেয়র এম এ মান্নানের এক বছর কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নানের এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় এ বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ কামাল হোসেন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মান্নান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি আপিল সত্ত্বেও জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এছাড়া একই মামলায় গোলাম কিবরিয়া নামে এক আসামিকে খালাস দেন আদালত।’

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালে (২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) ৯৯৯টি ভুয়া ভাউচারের অনুদান ও ব্যয় দেখিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ত্রাণ এবং দরিদ্র তহবিল থেকে ৪৯ লাখ ১ হাজার ৮৪৮ টাকা আত্মসাৎ করেন এম এ মান্নান। এ ঘটনায় দুদকের উপসহকারী পরিচালক শামসুল আলম ২০১৬ সালের ২৩ জুন গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় মান্নান ও তার সহযোগী গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা করেন।

২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারি মান্নান ও গোলাম কিবরিয়ার নামে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এরপর গাজীপুরে স্পেশাল জজ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারের জন্য ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে বদলি করেন। ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত। এ মামলায় বিভিন্ন সময় ছয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ