সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

আল্লামা শফির থিউরি কাজে লাগালে ধর্ষকদের ধর্মীয় অনুভূতি আসত: এমপি বাবলু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রয়াত আল্লামা আহমদ শফির থিউরি যদি কাজে লাগানো যেত তাহলে ধর্ষণ থেকে ধর্ষকরা নিরুৎসাহিত হতো এবং তাদের ভিতরে ধর্মীয় অনুভূতি আসত বলে দাবি করেছেন বগুড়া-৭ আসনের এ এমপি রেজাউল করিম বাবলু। গতকাল (১৭ নভেম্বর) মঙ্গলবার সংসদে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল- ২০০০' পাসের সময় জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব তোলার সময় তিনি এ দাবি করেন।

সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু বলেন, 'এখানে কী দেখছি মাননীয় স্পিকার? নারীবাদীরা নারী স্বাধীনতার কথা বলে নারীদেরকে উন্মুক্ত করে চলছে। যার কারণেই ধর্ষকরা ধর্ষণের অনুভূতিকে এতটা একসেপ্ট করেছে যে, ধর্ষণে উৎসাহিত হচ্ছে।'

সংসদ সদস্য বলেন, 'আইনটি এখানে উত্থাপন করা হচ্ছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমরা কী দেখি মাননীয় স্পিকার? করিতে ধূলা দূর, রাজ্য ধূলায় ভরপুর। এত আইন করেছি, কিন্তু শুধু সঠিক বাস্তবায়ন, প্রণয়ন ও প্রয়োগের কারণে আমাদের আইনগুলো ভেস্তে যাচ্ছে। আমরা ইতোপূর্বে আহমদ শফী সাহেবকে তেঁতুল হুজুর বলে উল্লেখ করেছি। তেঁতুল হুজুরের তেঁতুল থিওরিটাও যদি কাজে লাগানো যেত তাহলে ধর্ষকরা ধর্ষণ থেকে পিছপা হতো। ধর্ষণ থেকে তারা নিরুৎসাহিত হতো। তাদের ভিতরে ধর্মীয় অনুভূতি আসত।'

তিনি আরও বলেন, এ আইনটা প্রয়োগের আগে ধর্ষকরা যাতে ধর্ষণ কাজে উদ্বুদ্ধ না হয়, তদের ভিতরে যেন ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করে একটা মানবতা ক্রিয়েট করে; তারা যেন মনুষ্যত্ব ফিরে পায়, এ রকম একটা সিচুয়েশন যদি সমাজে থ্রো করা হয়, তাহলে এত কঠিন আইনের প্রয়োজন হবে না। একটা ফাঁসি কার্যকর করে একটা নাগরিক কমানোর প্রয়োজন হবে না। আমরা চাই ধর্ষক যেন তৈরি না হয়। ধর্ষকের সংখ্যা যেন না বাড়ে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ