সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

আর্মেনিয়াকে মানবতা দেখাল আজারবাইজান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জলবায়ু ও প্রাকৃতিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আর্মেনিয়াকে নাগর্নো-কারাবাখের সীমান্তবর্তী কালবাজার জেলা থেকে সরে যাওয়ার জন্য আজারবাইজান আরো ১০ দিন সময় দিয়েছে।

আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সহযোগী হিকমেট হাজাইয়েভ।

তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে দখলকৃত জেলাটি থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে ইয়েরেভান রাশিয়ার মাধ্যমে আরো সময় চেয়েছে। মানবতার পরিচয় দিয়ে আজারবাইজান তাদের অনুরোধ গ্রহণ করেছে।

চরম খারাপ আবহাওয়ার কারণে, আর্মেনিয়ার দিকে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা জোড-ভারনেইনস অত্যন্ত সরু হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আজারবাইজান আর্মেনিয়াকে তার নাগরিকদের সরিয়ে নেয়ার জন্য আরো সময় দিয়েছে, যোগ করেন এই কর্মকর্তা।

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলে প্রায় ৬০ হাজার আজারবাইজানি বসবাস করতো। গত ২৭ বছর আগে এলাকাটি দখলের সময় তাদের বাড়িঘর ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই লোকগুলো আজারবাইজানের বিভিন্ন অঞ্চলে চলে যায়।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর থেকেই দুই প্রতিবেশী আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে অঞ্চলটি নিয়ে বিবাধ সৃষ্টি হয়। সংঘাত চলাকালে ১৯৯৩ সালে জেলাটি দখল করে নেয় আর্মেনীয় বাহিনী।

নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। কিন্তু নব্বইয়ের দশক থেকে এতদিন পর্যন্ত সেটির নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীর হাতে। অন্যদিকে, নিজেদের স্বাধীন বলে ঘোষণা করে অঞ্চলটির বাসিন্দারা। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না মেলায় আইনগতভাবে সেটি আজারবাইজানেরই থেকে যায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ